প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে থিয়েটারকে বেছে নিতে চাই

উচ্চ মাধ্যমিক পড়াকালীন মঞ্চ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন কাজী রোকসানা রুমা। পড়ালেখা সম্পন্ন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ থেকে। থিয়েটারের প্রতি দুর্বলতা থাকলেও ১০ বছর ছিলেন থিয়েটারের বাইরে। দীর্ঘ বিরতির পর মঞ্চে কাজ করেন নাট্যদল বটতলার হয়ে। থিয়েটার থেকে এক দশকের বিরতি এবং পুনরায় ফেরাসহ থিয়েটারের অন্যান্য বিষয়ে কথা বলেছেন আনন্দধারার সঙ্গে।

আনন্দধারা : মঞ্চে আপনার বর্তমান কাজের ব্যস্ততা কী নিয়ে?

কাজী রোকসানা রুমা : আমি বটতলা থিয়েটারের সঙ্গে কাজ করছি। শাহাদুজ্জামানের উপন্যাস থেকে সৌম্য সরকার ও সামিনা লুৎফা নিত্রার নাট্যরূপে নাটক ‘ক্র্যাচের কর্নেল’ এবং সামিনা লুৎফা নিত্রার রচনায় ‘খনা’- এ দুটি নাটকে কাজ করা হচ্ছে। নাটক দুটির নির্দেশনা দিয়েছেন মোহাম্মদ আলী হায়দার। পাশাপাশি আপস্টেজ নামে নতুন একটি দল হয়েছে। বিভিন্ন দল থেকে শিল্পীর সমন্বয়ে তারা কাজ করে। ২০১৯ সালের জুলাই মাসে বুদ্ধদেব বসুর উপন্যাস অবলম্বনে সাইফ সুমনের নির্দেশনায় ‘রাত ভরে বৃষ্টি’ প্রথবারের মতো মঞ্চস্থ হয়। এই নাটকটিতেও আমি কাজ করছি। পাশাপাশি দলে নতুন নাটকের প্রস্তুতি চলছে। সেই নাটকের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

আনন্দধারা : সংস্কৃতি অঙ্গনে আপনার পথচলা শুরু হয় কীভাবে?

কাজী রোকসানা রুমা : আমার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে। আমি যখন উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম বর্ষে পড়ি তখনই প্রথম আমি নাটকে অভিনয় করি। কিন্তু নাটক বুঝতে শিখেছি পিরোজপুর গার্লস স্কুলে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায়। আমাদের স্কুলের শিক্ষক রুহুল আমিন স্যার নাট্যজন মামুনুর রশীদের লেখা নাটক ‘ওরা কদম আলী’ নাটকটি নির্দেশনার কাজ শুরু করেন। এই নাটকে আমি একটি ছেলের চরিত্রে অভিনয় করি। শেষ পর্যন্ত নাটকটি মঞ্চে আসেনি। কিন্তু এই নাটকের মধ্য দিয়েই নাটকের সঙ্গে আমার সখ্য তৈরি হয়। তবে ১৯৯১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষে আব্দুল্লাহ আল মামুন এর ‘চারিদিকে যুদ্ধ’ নাটকটির মধ্য দিয়ে প্রথম মঞ্চে অভিনয় করি। নাটকটি মঞ্চস্থ হয়েছিল পিরোজপুর শিল্পকলা একাডেমিতে। তারপর থেকে শুরু করে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত টানা পিরোজপুরে নাট্যচক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। নাট্যচক্রের হয়ে অনেকগুলো কাজ করছি সে সময়। এরপর বিএ পাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলায় যুক্ত হই। তারপর পড়ালেখা শেষ করে ১৯৯৯ সালে সুবচন নাট্যদলের সঙ্গে যুক্ত হই। সুবচনে বছর খানেকের মতো কাজ করি। তারপর চাকরিতে যোগদান করি। চাকরির কারণে বেশিরভাগ সময়ই ঢাকার বাইরে থাকতে হতো। রাতদিন প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে। তখন আমি থিয়েটারটা ঠিকঠাকভাবে করতে পারতাম না। পরিক্ষা শেষ হওয়ার পর হলে থাকা যেত না কিন্তু তারপর রোকেয়া হলে থাকতাম। কারণ ঢাকা শহরে তখন থাকার মতো আর কোনো সুযোগ ছিল না। চাকরি, বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে থাকা, সবকিছু মিলিয়ে টানাপড়েনের যুদ্ধে থিয়েটার ঠিকভাবে করতে না পারায় তখন থিয়েটার ছেড়ে দেই। ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এই ১০ বছর কোনো থিয়েটার  করিনি। কিন্তু সুযোগ পেলেই নাটক দেখা হতো। ১০ বছরে আমার জীবনে অনেক চড়াই-উতরাই আর ভাঙা-গড়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে। বারবার মনে হতো যদি একটু মঞ্চে দাঁড়িয়ে দেখতে পারতাম। জীবনের ১০ বছর কেমন করে নিজেকে মঞ্চে দাঁড়াতে সাহায্য করে যে, আমি মঞ্চে দাঁড়িয়ে একটা চরিত্র নির্মাণ করতে পারি কিনা! নাকি সব ভুলে গেছি! সেই সুযোগটা আমার হয়েছে বটতলার ‘খনা’ নাটকটির মধ্য দিয়ে। নাটকটি আমার তিনবার দেখা হয়েছিল। তখন বারবার মনে হতো যদি খনা চরিত্রে অভিনয় করতে পারতাম। তাহলে আর জীবনে কিছু চাওয়ার নেই। একদিন কথা প্রসঙ্গে বটতলার এক সদস্যের কাছে বলি এবং তিনি সিনিয়র সদস্যদের কাছে বললেন। তখন নাটকটির নাট্যকার এবং অভিনেত্রী সামিনা লুৎফা নিত্রা লন্ডনে পিএইচডি করার জন্য যান। তার সঙ্গে নাটকটির নির্দেশকও ছিলেন। তখন দলে এই চরিত্রের প্রয়োজনীয়তা পড়ে যায় । বটতলার অনেকের সঙ্গে অবশ্য আমার আগে থেকে পরিচয় ছিল। তখন তারা আমাকে ডেকে বললেন, আমি করব কিনা। খনা দর্শকদের কাছে যে অবস্থানে পৌঁছে গেছে এবং ১০ বছর মঞ্চে কাজ না করে এই কাজটা করা আমার জন্য একটা চ্যালেঞ্জ। সবার অনুপ্রেরণায় তখন আমি বটতলার সঙ্গে যুক্ত হই। একমাস নাটকটির মহড়া করলাম। নাট্যকার নির্দেশক দুজনেই লন্ডনে ছিলেন বলে অনলাইনে বা ফোনে কথা বলে বলে যা প্রশ্ন ছিল সেগুলো জেনে নিতাম। দলের সবাই আমাকে খুব সাহায্য করেছিল নাটকের চরিত্রটি তোলার জন্য। এক দশক পর খনার মধ্য দিয়ে পুনরায় নিজেকে আবার থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত করি।

আনন্দধারা : কেন আবার নিজেকে যুক্ত করলেন?

কাজী রোকসানা রুমা : একবাক্যে যদি বলি তাহলে বলব, প্রেম ও ভালোবাসা। সবকিছু মিলিয়ে ১০ বছর সময় নিয়েছি। ২০০৮ সালে আমি নিজে একটা অর্গানাইজেশন করেছি। যার মাধ্যমে ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে কাজ করা হয়। এখন আমার মনে হয় যে আমাকে ছুটি দেয়ার কেউ নেই। এখন নিজেকে নিজেই কন্ট্রোল করতে পারছি, যা অন্য কোথাও চাকরি করলে আমার পক্ষে করা সম্ভব হতো না। কারণ তখন মনে হয়েছে যে আমার যথেষ্ট সময় চলে গেছে। আমাকে আবার মঞ্চে ফিরতে হবে। যদি প্রেম-ভালোবাসা এবং অভিনয়ের ক্ষুধা না থাকত, তাহলে আমি মঞ্চে ফিরতে পারতাম না। যদি আমরা থিয়েটার টাকে পেশা হিসেবে নিতে পারতাম তাহলে তো খুব ভালো হতো। অনেক বেশি সময় দিয়ে অভিনয়ের চর্চা করা যেত। থিয়েটার পেশা হলে অনেক ছেলেমেয়ে অন্যান্য অনেক কাজ ছেড়ে দিয়ে শুধু থিয়েটারটাই করত। কারণ থিয়েটারের প্রেমের সঙ্গে খানিকটা খাওয়া-পরার নিশ্চয়তা পাওয়া গেলে শুরু থেকেই আমি নিজে অন্য সব পেশা ছেড়ে দিতাম। সারাক্ষণই থিয়েটারের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখতাম। থিয়েটার থেকে আমরা কিছু পাই না সত্য, তবে যারা থিয়েটারে কাজ করছে তারা সবাই ভালোবাসার জায়গা থেকেই করছে।

আনন্দধারা : মঞ্চে ফেরার পর কি কোনো প্রতিকূলতার শিকার হতে হয়েছেন?

কাজী রোকসানা রুমা : বটতলার মতো একটা থিয়েটার দলের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি নিজেকে খুব লাকি মনে করি। অন্যান্য দলের কথা আমি জানি না এবং বলতেও চাই না। একটা নতুন নাটকের চরিত্র বণ্টন নিয়ে হয়তো রাজনীতি হয়। অথবা সিনিয়র-জুনিয়র রাজনীতি কিংবা ক্ষমতার রাজনীতি হয়তোবা হয়ে থাকে। কিন্তু এই ধরনের কোনো প্রকার দোষে দুষ্ট নয় বটতলা। আমি বাদে আমাদের দলের চেয়ে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই এ বিষয়ে জানা যাবে। এ ধরনের কোনোরাজনীতির শিকার আমাদের হতে হয়নি। যে ছেলেটি বা মেয়েটি আজকে এসে বটতলায় যুক্ত হলো তার যদি যোগ্যতা থাকে আমরা একবারের জন্যও ভাবি না যে নাটকে তাকে নেয়া যাবে না। সিনিয়র-জুনিয়র বলতে যারা সময় হিসাব করে কিংবা কম-বেশি দিন ধরে দলে আছেন সেটাই তো! সময় হিসেবেও যারা অনেকদিন ধরে বটতলায় আছেন তারাও কখনো কেউ এই ধরনের কথা বলে না। যদি আমরা একটু প্রতিভা দেখি, তাহলে আমরা হাত বাড়িয়ে চেষ্টা করি তাকে বুস্টআপ করার জন্য।

আনন্দধারা : মঞ্চের বর্তমান অবস্থা কী মনে হয় আপনার?

কাজী রোকসানা রুমা : আমি ভীষণ সম্ভাবনা দেখি। মঞ্চের কথা বললেই ঢাকা শহরে যতগুলো থিয়েটার আছে সেগুলোর কথাই চলে আসে। সবচেয়ে বড় কথা আমাদের হলের সংখ্যা কম। মঞ্চে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কেন্দ্রীভূত করে রাখা। বিকেন্দ্রীকরণ না করা হলে কোনোদিনও সম্ভাবনা দেখা যাবে না। আমরা দর্শক দর্শক করে মরে যাচ্ছি কিন্তু দর্শক আসবে কোথা থেকে! দীর্ঘ পথ এবং সময় নষ্ট করে একজন দর্শক কী করে এসে শিল্পকলায় নাটক দেখবে! মঞ্চের বিশাল দর্শক সংকট। আমাদের যেভাবে একই জায়গায় কাজ হচ্ছে এভাবে দর্শক সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব নয়। কেউ যদি নাটকে কিছু বলতে চায় তাহলে নাটক নিয়ে মানুষের কাছে যেতে হবে। আমরা কেন ভাবছি যে মানুষ আমাদের কাছে আসবে নাটক দেখার জন্য। কেউ যদি কোনো বক্তব্য পৌঁছে দিতে চায় কিংবা যদি মানুষকে শুধু সুস্থ বিনোদন দিতে চায় তাহলে তো তাকে যেতে হবে মানুষের কাছে। কেন আমরা প্রত্যাশা করব এত দূর থেকে কষ্ট করে মানুষ নাটক দেখতে আসবে। কিন্তু আমরা যে সেখানে যাব আমাদের নাটক করার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই। তবে আমাদের মঞ্চ সংকট থাকলেও নাটকের বেলা আমি কিন্তু খুবই সম্ভাবনা দেখি। কারণ প্রচুর নতুন দল তৈরি হচ্ছে। তরুণ নির্দেশকরা অনেক ভালো কাজ করছে। মঞ্চে ইতোমধ্যে বেশকিছু ভালো নাটক হয়েছে। তরুণদের মধ্যে অনেকেই নাটকের মধ্য দিয়ে কিছু বলতে চায়। একদিনে তো আর নাটকে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব নয়। সমাজ, রাজনীতি এবং দেশ নিয়ে তরুণদের যে দৃষ্টিভঙ্গি সেটা তারা নাটকের মধ্যে প্রকাশ করতে চাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে আমি ভীষণ সম্ভাবনা দেখছি।

আনন্দধারা : কিন্তু ভালো নাটক দর্শক এসে কিন্তু ঠিকই দেখছে?

কাজী রোকসানা রুমা : একটা নতুন নাটক নামলে বেশ কয়েকটা মঞ্চায়ন পর্যন্ত দর্শক আসে। এখন যদি বলি নাটকে কিছু ব্র্যান্ড আছে, যেমন সৈয়দ জামিল আহমেদ। উনার নাটকে উপচে পড়া ভিড় হবেই। কারণ উনি বাংলাদেশের থিয়েটারের জাদুকর। এই জাদুকরের জাদু দেখতে মানুষ আসবে না এটা তো হবে না। তাছাড়া জাদুকরকে সবাই জানেন, চেনেন। আমি মনে করি জামিল আহমেদ স্যার দেশ-কাল-পাত্র স্থান সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠেছেন। সবচেয়ে বড় কথা আমাদের শহরে নাটকের দর্শক কিন্তু নির্দিষ্ট সংখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ। একটা নাটকের দশটা মঞ্চায়নের পর কিন্তু আর নতুন করে দর্শক পাওয়া যায় না। সত্যি কথা বলতে আমাদের সেই সংস্কৃতিটা গড়ে ওঠেনি। মঞ্চনাটক কি, সেটা কোথায় হয় তা অনেকেই জানেন না। আমরা যদি দূরের দর্শকের কাছে যেতে পারি, তাহলে দর্শক কিন্তু নাটক দেখবে। আগে তো দর্শককে জানাতে হবে মঞ্চ নাটকটা আসলে কী। আমরা যদি নাটক নিয়ে দর্শকের কাছে যেতে পারি পরবর্তী সময়ে দর্শকই নাটকের দর্শক তৈরি করবেন। পরবর্তীতে তারা নিজ থেকেই নাটক দেখবেন।

আনন্দধারা : থিয়েটার নিয়ে আপনার কি কোনো ভাবনা আছে?

কাজী রোকসানা রুমা : আমি অভিনয়টাই করতে চাই। তবে আমার একটা ভাবনা আছে সেটা এখন না বলি। সেটা এখন বলতে গেলে কয়েকজনের অনুমতি লাগবে। তবে এটুকু বলতে পারি একটা নতুন কিছু করতে চাই থিয়েটার অঙ্গনে। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের জন্য অপেক্ষা করছি। আমার তো ভীষণ ইচ্ছা করে সবকিছু ছেড়ে দিয়ে থিয়েটার করি এবং রাস্তায় থিয়েটার নিয়ে একা একাই নামি। আমি জানি যে বিশাল সমুদ্রে একটা নুড়ি ছুড়াও হবে না। কিন্তু এত কিছু আর নিতে পারছি না। ধর্ষণ নিয়ে যা কিছু হচ্ছে আমার ঘরে ফিরতে ইচ্ছে করে না। মনে হয় একটা গ্রুপ নিয়ে গিয়ে সব জায়গায় ঘুরে ঘুরে পারফরম্যান্স করি। তার চেয়েও বেশি মনে হয় আমরা একটা গ্রুপ  তৈরি করে গিয়ে সব পুড়িয়ে দেই। আর কোনো কিছু নিতে পারছি না। সত্যি সব পুড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করছে। চেনা রাস্তা অচেনা হয়ে গেছে। চেনা মানুষ অচেনা লাগে।  আমি আমার ঘাড়ের ওপর ধর্ষকের নিঃশ্বাস টের পাই। সবকিছু মিলিয়ে আর নেয়া যাচ্ছে না। আমাদের মনে হচ্ছে আমাদের আরো বেশি মাঠে নামা দরকার। চার দেয়ালের মাঝে থিয়েটার করছি এটা ভালো। ওই চার দেয়ালে কিছু মানুষ টিকিট কেটে নাটক দেখে বাহবা দিচ্ছে এটা আমার ভালো লাগে। মানুষ যখন আমার অভিনয় দেখে ভালো বলে তখন শুনতে ভালো লাগে। কিছুদিন আগেও বলতাম যে থিয়েটার করে আমার ভালো লাগে, থিয়েটার করে আমি সমাজ বদলে দিতে চাই না। তবে যে কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে চাই। কিন্তু থিয়েটার ছাড়া আমার আর কোনো ভাষা নেই। আমি তো আর কিছুই পারি না। আমি শুধু থিয়েটারটাই করতে জানি। যতটুকু অভিনয় পারি বা সেটা নিয়েই রাস্তায় দাঁড়াতে চাই। এজন্য আমি প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে থিয়েটারটাকে বেছে নিতে চাই, কারণ আমি এটাই পারি।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।