স্ত্রীকে সময় না দিয়ে বিপদে কর্মব্যস্ত স্বামী

নাটকের নাম :  রাত শেষে

জাকিউল ইসলাম রিপন পরিচালিত ও শফিকুর রহমান শান্তনু রচিত এ নাটকটি প্রচারিত হয় ৩ জানুয়ারি রাত ৮টায়। অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ, শবনম ফারিয়া ও সাদিয়া তানজিন।

নাটক শুরু হয় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার মধ্য দিয়ে। স্বামী (ইরফান সাজ্জাদ) কাজের প্রতি সিরিয়াস ও সৎ। স্ত্রীকে (সাদিয়া তানজিন) ঠিকমতো সময় দিতে পারে না। তাই তাদের মধ্যে খুনসুটি লেগেই থাকে। এবারের খুনসুটি মূলত লাগে স্বামীর খালা শাশুড়ির বাড়িতে না যাওয়ার জন্য। রাগে ও অভিমানে স্ত্রী তার স্বামীকে রেখেই খালার বাড়িতে চলে যায়। এরপর তাদের বাসায় এক আগন্তুক নারী (শবনম ফারিয়া) প্রবেশ করে এবং তাকে স্ত্রী হিসেবে দাবি করে। স্বামী ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়। বুঝে উঠতে পারে না। এই নারীর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে, তার স্ত্রীর কথা মনে পড়তে শুরু করে। সঙ্গে চলে অনুশোচনা। এভাবে এগোতে থাকে গল্প।

অভিনয়, পরিচালনা ও আবহ সংগীত মোটামুটি ভালো ছিল। তবে বাজে শব্দ সংযোজনের কারণে, এর গুণগতমান নষ্ট হয়েছে। একই দৃশ্যে শট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অ্যাম্বিয়ান্স সাউন্ড বদলে যাচ্ছিল। যেটা শুনতে খারাপ লাগছিল।

নাটকটি বেশ উপভোগ্য। স্ত্রীকে সময় না দেয়ার ফল কী হতে পারে সেটার জন্য নাটকটি দেখতে পারেন।

রেটিং :  ৭/১০

 

নতুনভাবে জোকসভিত্তিক রিয়েলিটি শো

এনটিভিতে চলছে হা-শোর পঞ্চম  মৌসুম। এটি বাংলাদেশের জোকসভিত্তিক প্রথম রিয়েলিটি শো। প্রতি বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রচারিত হয়। এবারের মৌসুমটি নতুনভাবে সেজেছে বলা চলে। বিচারক উপস্থাপক সবাই নতুন। বিচারক হিসেবে রয়েছেন চিত্রনায়ক আমিন খান, অভিনেতা তুষার খান ও নৃত্যশিল্পী মুনমুন। আর উপস্থাপনা করছেন মিরাক্কেল খ্যাত স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান আবু হেনা রনি।

দেশের ছয়টি বিভাগীয় শহরে প্রাথমিক বাছাইয়ের পর। মোট ৪০ জন প্রতিযোগী নিয়ে শুরু হয় এর মূল অনুষ্ঠান। সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে ছয় জন প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে লড়াই করবে। সেখান থেকে একজন হবেন বিজয়ী।

অনেকটা ওপার বাংলার রিয়েলিটি শো মিরাক্কেলের আদলে গড়া। কনটেন্ট, সেট উপস্থাপনের দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকলেও অন্য চার মৌসুমের তুলনায় এবার একটু চাঙ্গা মনে হচ্ছে। সেট ডিজাইন, কনটেন্ট, জোকস-এর সঙ্গে মিউজিকের ব্যবহারে উন্নতি লক্ষ করা যাচ্ছে।

এবার অনেক বেশি চমকপ্রদ জোকস শোনা যাচ্ছে। ভিন্নভাবে প্রতিযোগীরা নিজেদের উপস্থাপন করছেন। তবে পুরনো জোকস বারবার চলে আসছে। আর আবু হেনা রনির উপস্থাপনা খুব একটা দাগ কাটতে পারছে না। জোর করে হাসানোর প্রবণতা লক্ষ করা যায়।

সারাদিনের ক্লান্তি থেকে অবকাশ পেতে চাইলে হা-শোর জুড়ি নেই। গোমড়ামুখে নিমিষেই এক চিলতে হাসি ফোটাতে সাহায্য করবে।

 রোমান শুভ

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।