সাহিত্যের থেকে নির্মিত কিছু চলচ্চিত্র

শিল্পের সবচেয়ে বড় মাধ্যম চলচ্চিত্র। আর চলচ্চিত্রের মূল হাতিয়ার হচ্ছে গল্প। বইয়ের পাতা বা উপন্যাসের পৃষ্ঠা থেকে লিখিত সাহিত্য পর্দায় দৃশ্যমান রূপ চলচ্চিত্র। যুগ যুগ ধরে পৃথিবীজুড়ে সাহিত্যনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়ে আসছে। সাহিত্যনির্ভর কিছু চলচ্চিত্র নিয়ে আজকের এই প্রতিবেদন-

বাংলাদেশের ইতিহাসে সাহিত্যনির্ভর কিছু সফল চলচ্চিত্রের উদাহরণ নিচে দেয়া হলো-

তিতাস একটি নদীর নাম

অদ্বৈত মল্লবর্মণের লেখা বিখ্যাত উপন্যাস ‘তিতাস একটি নদীর নাম’-এর কাহিনী অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন ঋত্বিক ঘটক। ১৯৭৩ সালে মুক্তি পায় ১৫৯ মিনিটের এই ছবিটি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদী আর তার আশপাশের মানুষদের, বিশেষ করে জেলেদের জীবনযাত্রা নিয়ে এই ছবি নির্মিত হয়। এতে অভিনয় করেছেন গোলাম মোস্তফা, কবরী, রোজী সামাদ, প্রবীর মিত্রসহ আরো অনেকে। এছাড়া নির্মাতা নিজেও অভিনয় করেছেন। ২০০৭ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সেরা ১০টি ছবি নিয়ে দুটি তালিকা প্রকাশ করে। যার একটি তালিকা চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, আর অন্যটি দর্শকদের মতে। দুটি তালিকাতে ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ চলচ্চিত্রটি প্রথম স্থান অধিকার করে।

সূর্য দীঘল বাড়ী

গ্রন্থাকার আবু ইসহাকের কালজয়ী উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে নির্মাণ করেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ১৯৭৯ সালে মুক্তি পায় এই ছবিটি। ছবির প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন ডলি আনোয়ার, রওশন জামিল, জহিরুল হক, আরিফুল হক, কেরামত মাওলা, এটিএম শামসুজ্জামান। সুরকার আলাউদ্দিন আলী, চিত্রগ্রাহক আনোয়ার হোসেন, সম্পাদক সাইদুল আনম টুটুল। সূর্য দীঘল বাড়ী ছবিটি ১৯৮০ সালে জার্মানিতে ম্যানহেইম চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করে এবং ৩টি বিভাগে পুরস্কার লাভ করে। পর্তুগালের দ্য ফোড চলচ্চিত্র উৎসবে একটি বিভাগে অংশ নিয়ে পুরস্কার লাভ করে। এ ছাড়াও দেশে ৮টি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

সারেং বৌ

শহীদুল্লা কায়সারের লেখা উপন্যাস ‘সারেং বৌ’ থেকে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন আবদুল্লাহ আল মামুন। ১৯৭৮ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। এতে অভিনয় করেছেন ফারুক, কবরী, গোলাম মোস্তফা, ডলি চৌধুরী। এই ছবিটি সৈয়দ হকের লেখা আবদুল জব্বারের কণ্ঠে ‘ওরে নীল দরিয়া আমায় দেরে দে ছাড়িয়া’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবন সংগ্রামের গল্পে নির্মাণ হয় চলচ্চিত্রটি।

হাঙর নদী গ্রেনেড

সেলিনা হোসেনের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ নামের উপন্যাস থেকে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম এটি নির্মাণ করেন। ১৯৯৭ সালে এটি মুক্তি পায়। ছবিতে অভিনয় করেন সুচরিতা, সোহেল রানা, অরুণা বিশ্বাস, ইমরান, দোদুল, আশিক। ছবিটির সুরকার শেখ সাদী খান, চিত্রগ্রাহক জেড এইচ পিন্টু, সম্পাদক সৈয়দ মুরাদ। চলচ্চিত্রটি আবর্তিত হয় বুড়ি নামের এক মাকে কেন্দ্র করে। মুক্তিযোদ্ধা দুই ছেলে কলিম আর সলিমের মৃত্যু হওয়া সত্ত্বেও অন্য দুই মুক্তিযোদ্ধার প্রাণ বাঁচাতে তার প্রতিবন্ধী ছেলে রইসকে তুলে দেয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে।

শ্রাবণ মেঘের দিন

শ্রাবণ মেঘের দিন সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন জনপ্রিয় নির্মাতা ও কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৯৯ সালে। তারই লেখা ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান, শাওন, মাহফুজ আহমেদ, আনোয়ারা, ডা. এজাজসহ অনেকে। মতি নামের একজন যুবককে গ্রামেরই কুসুম নামের এক মেয়ে মনে মনে ভালোবাসে। মতি একজন গায়ক। কুসুমের গলাও বেশ ভালো। ঢাকা থেকে আসা জমিদারের নাতনি শাহানাকে ভালোবেসে ফেলে মতি। এদিকে কুসুমেরও বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। এমনই এক গল্প বুননে এগিয়ে চলে ছবির কাহিনি। ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ সিনেমাটি মোট ৬টি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছিল।

এ ছাড়াও আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস তেইশ নম্বর তৈলচিত্র অবলম্বনে সুভাষ দত্ত নির্মাণ করেছেন বসুন্ধরা, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় উপন্যাস দেবদাস অবলম্বনে চাষী নজরুল ইসলাম নির্মাণ করেছেন দেবদাস, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ অবলম্বনে গৌতম ঘোষ নির্মাণ করেছেন দুই বাংলার ছবি ‘পদ্মা নদীর মাঝি’, মুহম্মদ জাফর ইকবালের জনপ্রিয় কিশোর উপন্যাস অবলম্বনে সরকারি অনুদানে মোরশেদুল ইসলাম নির্মাণ করেছেন শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘দীপু নাম্বার টু’, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস অবলম্বনে তানভীর মোকাম্মেল নির্মাণ করেছেন লালসালু, চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক আমজাদ হোসেনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘অবেলায় অসময়’ অবলম্বনে তৌকীর আহমেদ নির্মাণ করেছেন জয়যাত্রা, ঔপন্যাসিক ও নির্মাতা জহির রায়হানের উপন্যাস ‘হাজার বছর ধরে’ অবলম্বনে কোহিনূর আক্তার সুচন্দা নির্মাণ করেছেন ‘হাজার বছর ধরে’ চলচ্চিত্রটি।

 

বলিউড

হায়দার

‘হায়দার’ হলো ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ভারতীয় ক্রাইম ট্র্যাজেডি চলচ্চিত্র। ছবিটির প্রযোজক ও পরিচালক হলেন বিশাল ভরদ্বাজ। উইলিয়াম শেক্সপিয়র রচিত হ্যামলেট নাটকের একটি আধুনিক সংস্করণ ও বশরত পীরের স্মৃতিকথা ‘কারফিউড নাইট’ অবলম্বনে এই ছবির কাহিনী। ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করেন শহীদ কাপুর। অন্য প্রধান চরিত্রগুলোতে রূপদান করেন তাবু, শ্রদ্ধা কাপুর ও কে কে মেনন। বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করেন ইরফান খান। ছবির প্রেক্ষাপট ১৯৯৫ সালে কাশ্মীরে জঙ্গি সংঘর্ষ। ছবির নায়ক হায়দার এক তরুণ ছাত্র ও কবি। কাশ্মীরে জঙ্গি ও সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘাত যখন চরমে, ঠিক সেই সময় নিজের বাবার গুম নিয়ে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সে ফিরে আসে কাশ্মীরে এবং জড়িয়ে পড়ে রাজ্য-রাজনীতির জটিলতার মধ্যে।

দেবদাস

দেবদাস ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্র। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে ছবিটি। এটি দেবদাস গল্পের তৃতীয় এবং হিন্দিতে প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র সংস্করণ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সঞ্জয়লীলা বানসালি এবং নামভূমিকায় অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান, সঙ্গে ছিলেন মাধুরী দীক্ষিত ও ঐশ্বরিয়া রাই। দেবদাসের ভূমিকায় শাহরুখ খান অভিনয় করে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন। দেবদাসের মুক্তির সময় পর্যন্ত বলিউডে এটিই ছিল সবচেয়ে ব্যয়বহুল সিনেমা। যার বাজেট ছিল ভারতীয় মুদ্রায় ৫০ কোটি রুপি। ছবি মুক্তির কিছুদিন পর ছয়টি ভাষায় সংস্করণ করা হয়। দেবদাস বক্স অফিসে একটি বিশাল আলোড়ন তুলেছিল। ভারতীয় মুদ্রায় ৬৯ কোটি রুপি আয় করেছিল, যা বক্স অফিসে সুপার হিট ছিল এবং ২০০২ সালের সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

লুটেরা

লুটেরা ঐতিহাসিক রোম্যান্স চলচ্চিত্র, যা বিক্রমাদিত্য পরিচালনা করেন। হেনরির ছোটগল্প ‘দ্য লাস্ট লিফ’ অবলম্বনে এটি নির্মিত। এটি সমালোচিত এবং প্রশংসিত একটি ছবি। সদ্য স্বাধীন ভারতের জমিদারি বিলোপ আইনের পটভূমির বিপরীতে ১৯৫০-এর দশকের যুগে একটি তরুণীর গল্প বলে, যা একজন বাঙালি জমিদারের কন্যাকে তুলে ধরে। ছবিতে রণবীর সিং ও সোনাক্ষী সিনহা প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। লুটেরা ৫ জুলাই ২০১৩ সালে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছিল এবং সেই বছর সেরা চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি ছিল।

এছাড়াও সাহিত্যে নিয়ে- ক্য পৌঁছে, সাত খুন মাফ, দ্য ব্লু আমব্রেলা, আয়েশা, ওমকারা, মকবুল ও সারকার চলচ্চিত্রগুলো আলোচিত হয়।

 

হলিউড

হ্যারি পটার

হ্যারি পটার চলচ্চিত্র সিরিজটি ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাউলিং রচিত সাত খণ্ডের হ্যারি পটার উপন্যাস সিরিজের কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত। সিরিজে বইয়ের সংখ্যা সাতটি হলেও চলচ্চিত্র সংখ্যা আটটি। হ্যারি পটার সিরিজের চলচ্চিত্রগুলো বিপণন করেছে ওয়ার্নার ব্রাদার্স পিকচার্স এবং প্রযোজনা করেছেন ডেভিড হেয়ম্যান। সিরিজগুলো যথাক্রমে পরিচালনা করেছেন ক্রিস কলম্বাস (১-২), আলফানসো কোয়ারন (৩), মাইক নিউয়েল (৪), ডেভিড ইয়েটস (৫-৭)। সবগুলো চলচ্চিত্রে প্রধান তিন চরিত্র হ্যারি পটার, রন উইজলি ও হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিন উদীয়মান তারকা, ড্যানিয়েল র‌্যাডক্লিফ, রুপার্ট গ্রিন্ট ও এমা ওয়াটসন। হ্যারি পটার সিরিজটি বর্তমানে সারাবিশ্বের তরুণদের একটি আইকনে পরিণত হয়েছে এবং ইতোমধ্যেই সিরিজটি সর্বকালের সবচেয়ে ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র সিরিজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত হ্যারি পটার প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে এবং সর্বোচ্চ আয়কারী ৩০টি চলচ্চিত্রের তালিকায় হ্যারি পটার সিরিজের প্রত্যেকটি ছবি রয়েছে। সিরিজের সর্বশেষ চলচ্চিত্র হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস দুই পর্বে নির্মিত হয়েছে, যার প্রথম পর্বটি ২০১০ সালের ১৯ নভেম্বর মুক্তি পায় এবং দ্বিতীয়টি ২০১১ সালের ১৫ জুলাই। এর মধ্য দিয়েই সমাপ্তি ঘটে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী তুমুল জনপ্রিয় হ্যারি পটার সিরিজের।

লং ওয়াক টু ফ্রিডম

‘লং ওয়াক টু ফ্রিডম’ ২০১৩ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত জীবনী চলচ্চিত্র, যা বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক বই লং ওয়াক টু ফ্রিডম-এর ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে। জাস্টিন চ্যাডউইক ছবিটি পরিচালনা করেন। উইলিয়াম নিকোলসন এর চিত্রনাট্য রচনা করেন। ম্যান্ডেলা চরিত্রে ইদ্রিস এলবা ও নমি হ্যারিস অভিনয় করেছেন।

নেলসন ম্যান্ডেলার দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে, তার প্রথম বয়স, শিক্ষার আগমন, ২৭ বছর কারাগারে এবং দেশের বিচ্ছিন্ন সমাজকে পুনর্র্নির্মাণে কাজ করার বিষয়গুলো এতে বর্ণিত রয়েছে।

চলচ্চিত্রটি সেপ্টেম্বর ২০১৩ টরেন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশ্ব প্রিমিয়ারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এটি দক্ষিণ আফ্রিকাতে ২৮ নভেম্বর ২০১৩ এবং যুক্তরাজ্যে ৩ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল। যথাক্রমে এর এক সপ্তাহ আগে এবং একমাস পর ম্যান্ডেলার মৃত্যু হয়েছিল।

গন গার্ল

গন গার্ল একটি মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার চলচ্চিত্র, যা ২০১৪ সালে মুক্তি পায়। ডেভিড ফিনচারের লেখা ‘গন গার্ল’ উপন্যাসটি ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। ছবিতে অভিনয় করেছেন বেন অ্যাফ্লেক, রোসমুন্ড পাইক, নীল প্যাট্রিক হ্যারিস এবং টাইলার পেরি। ছবিটির বাজেট ছিল ৬১ মিলিয়ন এবং আয় করে ৩৬৯.৩ মিলিয়ন ডলার। এটি পরিচালক ফিনচারের সর্বোচ্চ আয় করা ছবি।

আন্না কারেনিনা

আন্না কারেনিনা জো রাইট পরিচালিত ২০১২ সালের একটি ব্রিটিশ ঐতিহাসিক রোম্যান্টিক চলচ্চিত্র। লিও টলস্টয়ের উপন্যাস আন্না কারেনিনা অবলম্বনে নির্মিত। ছবিটিতে প্রবীণ রাজনীতিবিদ আলেক্সি কারেনিনের স্ত্রী রাশিয়ার অভিজাত এবং সমাজতান্ত্রিক আন্না কারেনিনা এবং তার সম্পর্কে চিত্রিত হয়েছে। কেরিনা নাইটলি অভিনয় করেছেন কারেনিনার চরিত্রে। ছবিটি নয় মিলিয়ন ডলার আয় করে এবং এটি ৮৫তম একাডেমি পুরস্কারে চারটি এবং ৬৬তম ব্রিটিশ একাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কারে ছয়টি মনোনয়ন অর্জন করেছিল।

সাহিত্যের আলোকে নির্মিত- ১৭২ হাওয়ার্স, দ্য হাঙ্গার গেমস, দ্য লাকি ওয়ান, ডিয়ার জন, দ্য লাস্ট সং, দ্য গার্ল উইথ দ্য ড্রাগন ট্যাটু- এই চলচ্চিত্রগুলো আলোচিত হয়েছিল।

 

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।