ভ্রমণ : মেঘের হাতছানি

পার্বত্য জেলা তিনটির অন্যতম একটি বান্দরবান। হাত বাড়ালেই মেঘের পরশ। চঞ্চলা ঝরনার অবিরাম ছুটে চলা আর শ্যামল প্রকৃতি সব মিলিয়ে যেন এক টুকরো স্বর্গ। এখানকার সর্বত্রই রয়েছে দেখার মতো অসংখ্য জায়গা। এখন জেনে নিন সেগুলোর খোঁজ

নীলগিরি

নীলগিরি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যটন কেন্দ্র। এর উচ্চতা প্রায় ৩ হাজার ফুট। এটি বান্দরবান জেলার ‘থানছি’ উপজেলায় অবস্থিত। বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এই পর্যটন কেন্দ্রের অবস্থান। এই পর্বতের পাশেই রয়েছে উপজাতি সম্প্রদায়ের পল্লী। যাদের বিচিত্র সংস্কৃতি দেখার মতো। নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র থেকে মেঘ ছোঁয়ার দুর্লভ সুযোগ রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নীলগিরি থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। বান্দরবানের সবচেয়ে সুন্দর ও আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র এটি, যা সেনা তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। এর পাশেই রয়েছে একটি সেনাক্যাম্প। বান্দরবান জেলা সদর থেকে নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় অধিকাংশ পর্যটক দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসেন। বান্দরবান জিপ স্টেশন থেকে জিপ, ল্যান্ড রোভার, ল্যান্ড ক্রুজারসহ অন্যান্য হালকা গাড়িও ভাড়ায় পাওয়া যায়। নীলগিরি যাওয়ার পথে সেনা চেকপোস্টে পর্যটকদের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হবে। বান্দরবান জেলা সদর থেকে সাধারণত বিকেল ৫টার পর নীলগিরির উদ্দেশে কোনো গাড়ি যেতে দেয়া হয় না। এছাড়া নিরিবিলিতে সপরিবারে কয়েকটা দিন কাটাতে এটি একটি আদর্শ জায়গা। এর জন্য বান্দরবান সদর সেনা রিজিয়নে বুকিং দেয়া যায়। যোগাযোগ করতে হবে- পেট্রো এভিয়েশন : ৬৯/২, লেভেল-৪, রোড-৭/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা এই ঠিকানায়।

স্বর্ণমন্দির

এটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মন্দির বা প্যাগোডা। যেটার আরেক নাম ‘মহাসুখ প্রার্থনা ধারক বৌদ্ধধাতু চেতী’। তবে স্বর্ণমন্দির নামেই এটা পরিচিত বেশি। বান্দরবানের উপশহর বালাঘাটার পুলপাড়ায় এর অবস্থান। বান্দরবান জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব ৪ কিলোমিটার। সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়ায় তৈরি সুদৃশ্য এই স্বর্ণমন্দিরটির আসলে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের একটি পবিত্র তীর্থস্থান। নামেই বোঝা যায় এটির রঙ সোনালি। দেশ-বিদেশ থেকে অনেক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এখানে প্রার্থনা করতে আসেন। গৌতমবুদ্ধের সমসাময়িককালে নির্মিত বিশ্বের সেরা কয়েকটি বুদ্ধমূর্তির মধ্যে একটি এখানে রয়েছে। এই বৌদ্ধমন্দির বা প্যাগোডাটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সেরা প্যাগোডাগুলোর মধ্যে অন্যতম। পাহাড়ের ওপর একটি পুকুর আছে, যা দেবতা পুকুর নামে পরিচিত। এই প্যাগোডা থেকে বান্দরবানের বালাঘাটা উপশহর আর আশপাশের সুন্দর নৈসর্গিক দৃশ্য দেখা যায়। এছাড়া বান্দরবান রেডিও স্টেশন, বান্দরবান থেকে চন্দ্রঘোনা যাওয়ার আঁকাবাঁকা পথটাও দেখতে বেশ লাগে। এই প্যাগোডা একটি আধুনিক ধর্মীয় স্থাপত্যের নিদর্শন। প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে এখানে মেলা বসে। এ প্যাগোডাটি পূজারিদের জন্য সারাদিন খোলা থাকে আর ভিন্ন ধর্মাবলম্বী দর্শনার্থীদের জন্য বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খুলে দেয়া হয়।

মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র

বান্দরবান শহরে ঢুকতে বান্দরবান-কেরানীহাট রাস্তার পাশেই পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় এটি অবস্থিত। পাহাড়ের খাদে বাঁধ নির্মাণ করে কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি করা হয়েছে। বান্দরবান শহর থেকে এই কেন্দ্রটির দূরত্ব ৪ কিলোমিটার। বেড়াতে আসা পর্যটকদের চিত্ত বিনোদনের জন্য এখানে রয়েছে শিশুপার্ক, নৌকা ভ্রমণের সুবিধা, ঝুলন্ত সেতুর মাধ্যমে চলাচলের ব্যবস্থা এবং সাময়িক অবস্থানের জন্য একটি রেস্ট হাউজ। এছাড়া আকর্ষণীয় একটি চিড়িয়াখানা এই কেন্দ্রের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে বহুগুণ। বান্দরবান জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এটি পরিচালিত হয়।

নীলাচল ও শুভ্রনীলা

বান্দরবান জেলা সদরের প্রবেশমুখ টাইগারপাড়ার কাছাকাছি পাশাপাশি অবস্থিত এ পর্যটন কেন্দ্র দুটি। নীলাচল জেলা প্রশাসন ও শুভ্রনীলা বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই পর্যটন কেন্দ্র দুটি পরিচালিত হয় । নীলাচলের উচ্চতা প্রায় ১৭০০ ফুট। বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে এটা অবস্থিত। এ পাহাড়ের ওপর নির্মিত এ দুটি পর্যটন কেন্দ্র থেকে পার্শ্ববর্তী এলাকার দৃশ্য দেখতে খুবই মনোরম।

চিম্বুক

বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পর্বত। চিম্বুক সারা দেশের কাছে পরিচিত নাম। বান্দরবান জেলা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে চিম্বুক পাহাড়ের অবস্থান। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৫০০ ফুট। চিম্বুক যাওয়ার রাস্তার দুই পাশের পাহাড়ি দৃশ্য খুবই মনোরম। যাওয়ার পথে সাঙ্গু নদী চোখে পড়ে। পাহাড়ের মাঝে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সড়ক দিয়ে এঁকেবেঁকে যাওয়ার সময় মনে হবে গাড়িতে করে বুঝি চাঁদের বুকে পাড়ি জমাচ্ছেন। ২৫০০ ফুট উঁচুতে দাঁড়িয়ে এ অপরূপ বিচিত্র প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে পাবেন চিম্বুকে। পাহাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে দেখতে পাবেন নিচে ভেসে যাচ্ছে মেঘের ভেলা। পার্শ্ববর্তী জেলা কক্সবাজার আর চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলাকে দেখা যায় এখান থেকে। পাহাড়ের পাশ দিয়ে ভেসে যাওয়া মেঘ দেখে মনে হয় মেঘের স্বর্গরাজ্য চিম্বুক। থানছি সড়কের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় চিম্বুক অবস্থিত হওয়ায় এখানে হোটেল বা রেস্তোরাঁ গড়ে ওঠেনি। জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে একটি রেস্ট হাউজ আছে। জেলা প্রশাসকের অনুমতিক্রমে রাতযাপনের সুযোগ রয়েছে। চিম্বুকের পাশে সেনাবাহিনীর ক্যান্টিন রয়েছে। এখানে সকালের নাশতা ও দুপুরে খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া খাবারের জন্য বান্দরবান থেকে চিম্বুক যাওয়ার পথে মিলনছড়ি ও শাকুরা নামে দুটি পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। তবে বান্দরবান থেকে হালকা খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে রওনা দেয়াটাই সবচেয়ে ভালো। চিম্বুক যেতে হলে বান্দরবান শহরের রুমা বাস স্টেশন থেকে চাঁদের গাড়ি হিসেবে পরিচিত জিপ, ল্যান্ড ক্রুজার, ল্যান্ড রোভার, পাজেরো এবং বান্দরবান-থানছি পথে যাতায়াত করা বাস ভাড়া নিতে হবে (স্পেশাল বাস যা দুর্গম পাহাড়ি পথে চলাচল করতে সক্ষম)। রাস্তা বেশ দুর্গম হওয়ায় বাসে যাতায়ত করা ঝুঁকিপূর্ণ। চিম্বুক-থানছি পথে বিকেল ৪টার পর কোনো গাড়ি চলাচল করে না। তাই পর্যটকদের ৪টার মধ্যে ফিরে আসা উচিত।

শৈলপ্রপাত

বান্দরবান-রুমা রাস্তার ৮ কিলোমিটার দূরে শৈলপ্রপাত অবস্থিত। এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব সৃষ্টি। সারাক্ষণ ঝর্ণার হিমশীতল পানি এখানে বয়ে যাচ্ছে। এই ঝরনার পানিগুলো খুবই স্বচ্ছ। বর্ষাকালে এ ঝরনার দৃশ্য দেখা গেলেও ঝরনাতে নামা বেশ কঠিন। বছরের বেশিরভাগ সময় দেশি-বিদেশি পর্যটকে ভরপুর থাকে। রাস্তার পাশেই শৈলপ্রপাতের অবস্থান হওয়ায় এখানে পর্যটকদের ভিড় বেশি দেখা যায়। এখানে দুর্গম পাহাড়ের কোল ঘেঁষা আদিবাসী বম সম্প্রদায়ের সংগ্রামী জীবন প্রত্যক্ষ করা যায়। বান্দরবান শহর থেকে চাঁদের গাড়ি কিংবা গাড়ি ও জিপ ভাড়া করে শৈলপ্রপাতে যাওয়া যায়।

মিলনছড়ি

মিলনছড়ি বান্দরবান শহর থেকে ৩ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে শৈলপ্রপাত বা চিম্বুক যাওয়ার পথে পড়ে। এখানে একটি পুলিশ পাড়ি আছে। পাহাড়ের বেশ উপরে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে পূর্ব প্রান্তে অবারিত সবুজের খেলা এবং সবুজ প্রকৃতির বুক চিরে সর্পিল গতিতে বয়ে যাওয়া সাঙ্গু নামের মোহনীয় নদীটি দেখা যাবে।

রুমা বাজার

শহরতলী থেকে ৫২ কিলোমিটার দূরে উপজেলা শহর রুমা। আকারে ছোট এ শহরটির পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে মায়াবী সৌন্দর্য। বান্দরবান থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁদের গাড়ি ছেড়ে যায় রুমার উদ্দেশে।

বগা লেক

রুমা বাজার থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরত্বের এক দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় গাঢ় নীল জলের এই লেকে। তবে ১৫ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এই লেকের অপার সৌন্দর্য দেখে পথের ক্লান্তি দূর হয়ে যায় মুহূর্তেই। এখানে রাত কাটানোর সুব্যবস্থা আছে।

কেওক্রাডং ও তাজিনডং

রুমা বাজার থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে কেওক্রাডংয়ের অবস্থান। তাজিনডং আবিষ্কৃত হওয়ার আগ পর্যন্ত এটাই ছিল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। বর্তমান সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিনডংয়ের অবস্থান রুমা বাজার থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে। উচ্চতায় দুই পর্বতের পার্থক্য থাকলেও সৌন্দর্যে কেউ কাউকে নাহি ছাড়ে। দুটোই সমানে সমান।

প্রান্তিক লেক

বান্দরবান শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের পাশেই অবস্থিত ছায়াচ্ছন্ন এই অপূর্ব লেকটি। বান্দরবান বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে করে এখানে যেতে সময় লাগে এক ঘণ্টার মতো।

লামা

বান্দরবান শহর থেকে ৯৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এ স্থানটি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি মেডিটেশন সেন্টারের জন্য জায়গাটি সুপরিচিত। এছাড়াও এখানে রয়েছে পর্যটন স্পট মিকির ও মিরিঞ্জা, আর সেনাবাহিনী নির্মিত শিশুপার্কটিও সুপরিচিত। বান্দরবান থেকে বেলা ২টায় পূর্বাণী পরিবহন ও ৩টায় চাঁদের গাড়ি ছেড়ে যায় লামার উদ্দেশে।

আলী সুড়ঙ্গ

লামা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে রহস্যঘেরা এ সুড়ঙ্গে যাওয়ার একমাত্র বাহন চাঁদের গাড়ি। তবে এখানে যাওয়ার আগে পাহাড়বান্ধব জুতা, দা, লাঠি, ব্লিচিং পাউডার, লবণ সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না।

নাইক্ষ্যংছড়ি

সীমান্তঘেঁষা এ উপজেলা শহরটিতে জারুলিয়াছড়ি ও নাইক্ষ্যংছড়ি লেক, বিজিবির দপ্তর, উপবন পর্যটন কেন্দ্র ছাড়াও রয়েছে ৬৫ হেক্টর ভূমির ওপর স্থাপিত গয়াল প্রজনন কেন্দ্র।

রাজবাড়ি

বান্দরবানে অবস্থিত বহু বছরের পুরনো বোমাং রাজার বাড়িটি এখনো মুগ্ধ করে সবাইকে। প্রতি বছর শীতকালে এখানে রাজপুণ্যাহ মেলা বসে।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে সরাসরি : আরামবাগ থেকে শ্যামলী, ঈগল, ইউনিক বাস সার্ভিস সরাসরি বান্দরবান যায়। জনপ্রতি ভাড়া ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা।

চট্টগ্রাম হয়ে বান্দরবান : দেশের যেকোনো এলাকা থেকে বান্দরবান যাওয়ার জন্য প্রথমে চট্টগ্রাম যেতে হবে। সেখানের বহদ্দারহাট টার্মিনাল থেকে বাসে করে যেতে হবে বান্দরবান। বিভিন্ন বাস সার্ভিস আছে। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আধাঘণ্টা পরপরই বান্দরবানের উদ্দেশে ছেড়ে যায় পূর্বাণী, পূরবী ও পূবালী বাসগুলো। পৌঁছতে সময় লাগে ২-৩ ঘণ্টা। ভাড়া জনপ্রতি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা।

কোথায় থাকবেন : বান্দরবান সদরে বেশ কয়েকটি হোটেল রয়েছে। এগুলো হলো- হোটেল ফোর স্টার, হোটেল গ্রিন হিল, হোটেল হিল বার্ড, হোটেল পূরবী, হোটেল প্লাজা ইত্যাদি। এছাড়া হোটেল থ্রি স্টার বান্দরবান বাসস্ট্যান্ডের পাশে অবস্থিত। নীলগিরির গাড়ি এই হোটেলের সামনে থেকে ছাড়ে। এই হোটেলের সুবিধা হলো এখানের ৪ বেডের একটি ফ্ল্যাটে ৮ থেকে ১০ জন একসঙ্গে থাকতে পারে।

বিশেষ পরামর্শ : বান্দরবানের এই জায়গাগুলো দেখতে যাওয়া-আসা মিলিয়ে হাতে চার থেকে পাঁচদিনের সময় নিয়ে যেতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় রাতে ভ্রমণ করে ভোরে বান্দরবান পৌঁছানো। আর সেখান থেকে বিকেলে রওনা দিয়ে ফিরে আসা। এতে করে দু’দিনেই বান্দরবানের এই জায়গাগুলো ঘুরে আসা সম্ভব। একটি জিপ গাড়ি ভাড়া করে এই এলাকাগুলো ঘুরে আসতে খরচ পড়বে ৮ হাজার টাকার মতো। একটি জিপ গাড়িতে ৮ থেকে ১০ জন বসতে পারে।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।