ছোটবেলার শখ এখন প্রফেশন হয়ে দাঁড়িয়েছে


আজমিরা আলম জারাহ

নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমেস্ট্রির চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আজমিরা আলম জারাহ। লেখাপড়ার পাশাপাশি মেহেদির রঙে ব্রাইড সাজাতে ‘হেনা আর্টস্ট্রি বাই জারাহ’ নামে শুরু করেন অনলাইন ব্যবসা। ব্যবসা শুরু এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

আনন্দধারা : ফ্যাশনের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করা হয় কীভাবে?

আজমিরা আলম জারাহ : মেহেদি দিয়ে কারো হাত রাঙানো বা সাজানো ছিল আমার শখ। আমি যখন আমার স্টুডেন্টের বাসায় পড়াচ্ছিলাম, তখন একফাঁকে তাদের আত্মীয়দের হাতে মেহেদি দিয়ে দিই। তারা আমার মেহেদি দেয়া দেখে আমাকে বলেন, ‘তুমি তো খুব ভালো মেহেদি দাও। তুমি এটাকে প্রফেশনালি শুরু করছ না কেন?’ পরে পরিবারের উৎসাহে প্রফেশনালি কাজ শুরু করি।

আনন্দধারা : আপনার ব্যবসা নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

আজমিরা আলম জারাহ : আমার প্রথম ইচ্ছা ছিল গ্রুপ করে বা কয়েকজন মিলে কাজ শুরু করার। এবার ঈদে আমি একটা অনাথ আশ্রমে গিয়ে সেখানকার সব মেয়ের হাতে মেহেদি দিয়েছি। আমার ইচ্ছা আছে এ রকম যারা মেয়ে রয়েছে, তাদের নিয়ে একটা গ্রুপ তৈরি করা।

আনন্দধারা : ‘হেনা আর্টস্ট্রি বাই জারাহ’-এর গ্রাহকদের জন্য কী কী সুবিধা রয়েছে?

আজমিরা আলম জারাহ : সব ধরনের গ্রাহকের কথা ভেবেই আমি খুবই স্বল্পমূল্য নির্ধারণের মধ্য দিয়ে এ অনলাইন ব্যবসাটি চালু করি। সাধারণত মেহেদি বলতে আমরা যা বুঝি মেহেদি আর সে রকমটি নয়। অ্যারাবিক, পাকিস্তানি, ইন্ডিয়ান ডিজাইন ছাড়াও মেহেদির এখন বিভিন্ন ধরনের নকশা হচ্ছে। সব ধরনের ডিজাইন আমি আমার গ্রাহকদের তাদের সাধ্যমতো দেয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি গ্রাহকদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে হোম সার্ভিসও দেয়া হয়।

আনন্দধারা : বর্তমানে বিয়েতে কনের হাতে মেহেদির কোন ধরনের আলপনা বেশি আঁকা হচ্ছে?

আজমিরা আলম জারাহ : এখন ফ্লোরাল ও আরমানডলা- এ দুটো ডিজাইন খুব বেশি চলছে। আগে যেমন কুচি কুচি করে ছোট করে দেয়া হতো, এখন বোল্ড করে আলপনার মতো বড় করে আঁকা হয়। ফলে তা দেখতেও অনেক দৃষ্টিনন্দন হয়।

যোগাযোগ : হেনা আর্টিস্ট্রি বাই জারাহ, মেহেদি আর্টিস্ট, বাড়ি নং-৫৪, রোড নং-১১, সেক্টর-৬, উত্তরা। ফোন : ০১৬২৬২১৩৭৫০।

 

মডেল : অরণী

মেহেদি :  হেনা আর্টিস্ট্রি বাই জারাহ

ছবি : হৃদয় তানভীর

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।