আমাদের সংগীত অনেক সমৃদ্ধ- মাহতিম শাকিব

তরুণ সংগীতশিল্পী মাহতিম শাকিব। দেশের খ্যাতিমান শিল্পীদের জনপ্রিয় গানগুলো কভার করে পরিচিতি পেয়েছেন তরুণ এ সংগীতশিল্পী। পাশাপাশি নিজের মৌলিক গানেও পেয়েছেন শ্রোতাপ্রিয়তা। সংগীতচর্চা শুরু থেকে অন্যান্য আরো বিষয় নিয়ে আনন্দধারার সঙ্গে কথা বলেছেন এ সংগীতশিল্পী।

 

আনন্দধারা : সংগীতের সঙ্গে নিজেকে কখন থেকে সম্পৃক্ত করা হয়?

মাহতিম শাকিব : খুব ছোটবেলা থেকেই সংগীতের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা। বলতে গেলে প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সংগীত নিয়ে পথচলা শুরু হয়। আমি যখন ছোট তখন পরিবার চেয়েছিল যে কোনো শিল্প মাধ্যমের সঙ্গে যেন নিজেকে যুক্ত করি। তার জন্য পরিবার থেকে চাপ প্রয়োগ করা হতো। ২০১২ সালে যখন ভাষার গানের ওপর বাংলা একাডেমি থেকে আমাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তখন থেকে সংগীতের প্রতি আমার ভালোবাসাটা আরো গাঢ় হতে থাকে। আমার এখনো মনে হয় ওই গানটা ছিল আমার বেস্ট পারফরম্যান্স। তার কিছুদিন পর আমার ভোকালের পরিবর্তনের কারণে প্রায় আট মাস গান করা হয় না। আর তখন থেকেই গানকে খুব মিস করতে থাকি। ক্রমেই গানের প্রতি ভালোলাগা, ভালোবাসা, দুর্বলতা দিন দিন বাড়তে থাকে। আর সেই ভালোবাসা থেকেই পরবর্তী সময়ে ২০১৩ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত নিয়মিত গান গাইতে শুরু করি।

আনন্দধারা : সংগীতে আপনার পথচলার অনুপ্রেরণা?

মাহতিম শাকিব : সংগীত নিয়ে পথচলার পেছনে বড় অবদান হচ্ছে আমার পরিবারের। পরিবার থেকে চাপ প্রয়োগ না করলে হয়তো দু-এক মাস পর আমি সংগীত ছেড়ে দিতাম। কারণ সে সময় ছোট্ট একটা বাচ্চা ছেলের কাছে একাডেমিতে বসে টানা ৩ ঘণ্টা গান সাধনার চেয়ে গলিতে অন্যদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সপ্তাহে যে দুদিন গানের ক্লাস হতো, ওই দুদিনে সবাই আয়োজন করে ক্রিকেট খেলতে যেত। আর আমি উল্টো যেতাম গানের ক্লাসে। তখন গান শিখতে যাওয়াটা আমার কাছে খুব বিরক্তিকর ছিল। কিন্তু পরিবারের চাওয়ার কারণে একপ্রকার জোরপূর্বক তখন আমাকে যেতে হয়েছে। সে কারণেই হয়তো বর্তমানে সংগীতের প্রতি আমার এই অনুরাগ সৃষ্টি হয়েছে।

আনন্দধারা : সংগীতের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করার সময়টাতে অর্থাৎ শুরুর দিকে কোন কোন শিল্পীর গান বেশি শোনা হতো?

মাহতিম শাকিব : হাবিব ভাই আর বালাম ভাইদের গানের মধ্য দিয়ে আমার গান শোনা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে রকস্টার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ওয়েস্টার্ন রক গান শুনতে শুরু করি। ধীরে ধীরে রুচির নানান পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একটা সময় ক্ল্যাসিক্যাল গানের প্রতি ভালোবাসা জন্মায়। তবে এই ভালোলাগার কিংবা ভালোবাসার পেছনে পুরো অবদান ছিল আমার কাকা ওস্তাদ রফিক মাহমুদের। তিনি আমাকে বলেন, ‘তুমি যে গান করতে চাও করো। তবে সব ধরনের গান শোনো'। সেই থেকে আমার ভালোবাসার পুরোটাজুড়ে রয়েছে ক্ল্যাসিক্যাল গান, তার পাশাপাশি বাংলা ফোক গান। কিন্তু সব ধরনের গান গাইলেও যখন একা গান গাই বা শুনি, তখন লালনের গান শোনা বা গাওয়া হয়।

আনন্দধারা : সংগীত নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ ভাবনা কী?

মাহতিম শাকিব : আমাদের সংগীত আসলে অনেক সমৃদ্ধ। ইউটিউব বা অন্যান্য মাধ্যমে যখন দেখি বিভিন্ন দেশে আমাদের সংস্কৃতি নিয়ে মানুষজন ভাবছে বা গবেষণা করছে, তখন নিজের কাছে অনেক কষ্ট লাগে। কারণ আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে পরিপূর্ণভাবে মর্যাদা দিতে পারি না। আমিসহ আমরা সবাই কম-বেশি এই দোষে দোষী। তবে সবকিছু ছাপিয়ে বাংলা সংগীতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে আমার।

আনন্দধারা : বর্তমান সংগীতাঙ্গনের অবস্থা কেমন বলে আপনার মনে হচ্ছে?

মাহতিম শাকিব : আমি যেহেতু বয়সে অনেক ছোট, তাই আমার দেখার পরিধিও অনেক ছোট। তবু আমার মনে হয় শুধু সংগীত নয়, আমাদের পুরো ইন্ডাস্ট্রির অবস্থাই ভগ্নপ্রায়। আমরা কোনো ভালো কাজের অ্যাপ্রিসিয়েশন করি না। মার্কেট যা চাচ্ছে সবাই সেটা দিতেই ব্যস্ত। আমিও তার ঊর্ধ্বে নই। আমাদের গন্ডি খুবই ছোট। আমরা নিজেরাই নিজেদের তুলনা করি পাশেরজনের সঙ্গে। আন্তর্জাতিকভাবে নিজেদের চিন্তা করতে পারি না। পাশের শিল্পীর সঙ্গে যেদিন থেকে আমাদের প্রতিযোগিতামূলক আচরণ বন্ধ হবে, সেদিনই যারা প্রকৃত শিল্পী তারা নিজেদের খোলস ভেঙে বাইরে নিয়ে আসতে পারবেন। পাকিস্তানের কথা যদি বলি, যারা ওস্তাদ রয়েছেন তারা মোটামুটি ছোটখাটো প্রাসাদে থাকেন। না থাকলেও তাদের কোনো অভাব নেই। কিন্তু আমাদের দেশে সবকিছুই বিপরীত।

আনন্দধারা : ভবিষ্যৎ সংগীত অঙ্গন কী কিংবদন্তি সংকটে পড়বে বলে আপনার মনে হয়?

মাহতিম শাকিব : প্রকৃত সংগীতকে ভালোবাসেন না এমন মানুষ কমই আছেন। আমরা সামাজিকতা রক্ষা করতে নিজেদের সংস্কৃতিকে ছোট করি। আশপাশের শিল্পীদেরও ছোট করি। আমার একটি বাজে কোয়ালিটিতে ধারণ করা ভিডিও যখন প্রায় ১২ মিলিয়ন মানুষ দেখেছেন। আর যার ফলে আমার জীবনের মোড় ঘুরে যায়। তখন এটাই আসলে ভাবতে শেখায় কোয়ালিটি থাকলে হয়তো একটা জায়গায় আসা যায়। তবে আমি এটা বলতে চাই না যে আমার কাজের খুব কোয়ালিটি আছে। আমার প্রত্যেকটা কাজে আমার অসম্ভব জঘন্য মনে হয়। কিন্তু আমাদের যদি কাজের প্রতি সত্যতা থাকে, তাহলে হয়তো সে কাজটা মানুষের কাছ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। আর বর্তমান এই মন্দ সময়টা কেটে যাওয়ার পর একটা সময় আবার আসবে যখন আমরা আবার নিজেদের সংস্কৃতিকে মর্যাদা দিতে শিখব। আমি সুপ্ত কিছু প্রতিভা দেখেছি, যারা ঘরের ভেতর বসে গান গান। নিজেদের আত্মপ্রকাশ করতে চান না। যখন আমরা পরিপূর্ণ রুচির ব্যবহার করব, তখন হয়তো তারা বেরিয়ে আসবে। কিংবদন্তি সংকট হয়তোবা হবে না। কারণ এখন পর্যন্ত যারা কিংবদন্তি আছেন, যতদিন পর্যন্ত নতুনভাবে আর কেউ না আসবে, তাদের নিয়েই আমরা থাকব। কারণ তাদের সৃষ্টির অভাব নেই।

আনন্দধারা : তরুণ সংগীতশিল্পীরা কোন পথে এগোচ্ছে বলে আপনার মনে হচ্ছে?

মাহতিম শাকিব : এটা আসলে আমার পক্ষে উত্তর দেয়া সম্ভব না। প্রথমত কারণ হচ্ছে আমি নিজেকে খুব রিজার্ভ করে রাখার চেষ্টা করি। দিনের প্রায় ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা আমি একটি রুমে প্রায় বন্ধ অবস্থায় থাকি। সারাদিন আমার আইপ্যাড বা ল্যাপটপে গজল বা লালনগীতি বাজতে থাকে, তার পাশাপাশি ভারতীয় কিছু পুরনো গানও বাজতে থাকে। আমি সারাক্ষণ আমার ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করি। ওয়েবসাইট তৈরি করতে থাকি। বাইরের পৃথিবী সম্পর্কে আমার অতটা ধারণা নেই। তবে আমি প্রত্যেকদিন নিজের জন্য একটা করে চ্যালেঞ্জ সেট করে নেই। যে এই কাজটা আমার গলায় আসতেই হবে। যদিও কাজটা রপ্ত করা একদিনের ব্যাপার নয়, তবুও যতদিন কাজটা আমার গলায় না আনতে পারি, ততদিন আমি অশান্ত হয়ে থাকি। তবে আমি স্বাধীন থাকতে পছন্দ করি। যখন আমার আত্মার সঙ্গে গানের সংযোগ হয়, তখনই আমি মন খুলে গান করি।

আনন্দধারা : আমাদের সংগীতের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে বলে আপনার মনে হয়?

মাহতিম শাকিব : আমাদের বর্তমান অবস্থা হয়তো ভালো না। কিন্তু ভবিষ্যতে এ রকম মন্থর হয়ে থাকবে না। কারণ সংস্কৃতি কখনো মরে না। হয়তো কোনো না কোনো পথে এগোবে। তবে সেটার দায়িত্ব আমাদের সবাইকে নিতে হবে।

আনন্দধারা : শিল্পীদের গান কভার করার চিন্তা আপনার কেন এলো?

মাহতিম শাকিব : আমি স্বাধীনচেতা। সব সময় স্বাধীনভাবেই থাকতে পছন্দ করি। আর সৃষ্টি জিনিসটা অনেক বিশাল। আমি যখন গান গাওয়া শুরু করি, তখন মনে হয়নি নিজে লিখে সুর করে নতুনভাবে গান সৃষ্টি করতে পারব। তাছাড়া গানের মাঝে প্রাণ দিতে পারব। তখন একটা প্রাণ থাকা গান নিয়ে নিজের মতো করে অলংকৃত করে উপস্থাপন করি। তবে এখন মৌলিক গান করছি এবং ভবিষ্যতে আরো ভালো কিছু করার চেষ্টা করছি।

আনন্দধারা : শিল্পীদের গান কভার করাকে তো অনেকে নেতিবাচক ভাবে দেখছেন? বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

মাহতিম শাকিব : একজন মানুষ যখন মনের সুখে, রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে গান গায় কিংবা রিকশাচালকের কথাই যদি বলি, তারা কেউ কিন্তু নিজের লেখা বা সুর করা গান গায় না। আমিও সে রকমই। তবে যখন কোনো গান গেয়ে ইউটিউবে আপলোড করছি, তখনই সমস্যা হচ্ছে। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমি কি তাহলে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে পারব না? আমি যখন দেখছি বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে, তখন আমি গাচ্ছি ‘আকাশ তো মেঘলা’ তখন আমার মনে হয়েছে যে আরো ১০ জন মানুষকে আমি আমার গানটি শোনাতে চাই। এতে করে আমার মনে হয় না এখানে নেতিবাচক কিছু আছে। তবে কারা করছে, কেন করছে, তা আমার বোধগম্য নয়।

আনন্দধারা : অনেকেই বলেন নিজের মতো করে শিল্পীদের গান কভারের মধ্য দিয়ে মূল শিল্পীদের অসম্মান করা হয়। আসলেই কী তাই?

মাহতিম শাকিব : একটা গান তখনই প্রাণ পায়, যখন সেই গানটা সব মানুষের মনের মধ্যে আনমনে বাজতে থাকে। সাবিনা ইয়াসমীন ম্যাডামের একটা গান আমি যখন কভার করি, তখন তিনি গানটি শোনার পর বললেন ‘ওকে আমার দোয়া দিও।’ আমার তো মনে হয় না উনি অসম্মান বোধ করছেন। পাশাপাশি উনি আমাকে শুভকামনাও জানিয়েছেন। তাছাড়া এই গানের গীতিকার থেকে শুরু করে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সবাই আমাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। তবে হ্যাঁ, শিল্পীদের অনেকেই চান যে তার গাওয়া গান যেন তার কণ্ঠেই বেঁচে থাকে। তবে আমার কভারের কারণে কোনো শিল্পী হয়তো মন খারাপ করতে পারেন। তবে সেই অধিকার সম্পূর্ণ তার রয়েছে। মূল শিল্পীর গানের ভাবনার সঙ্গে হয়তো আমার ভাবনার মিল না-ও হতে পারে। এক্ষেত্রে শিল্পীর মনঃক্ষুণ্ন হওয়াটা সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত। তবে কেউ যদি চান যে তার গান কভার না করার জন্য, তাহলে আমি সে গান আর করব না।

আনন্দধারা : একটি বেসরকারি চ্যানেলে আপনার নামে শিডিউল ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি আসলে কী ঘটেছিল?

মাহতিম শাকিব : এটা সম্পূর্ণ একটা ভুল বোঝাবুঝি ছিল। তার কারণ ছিল কমিউনিকেশন গ্যাপ। এটা নিয়ে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমি শিথিল ভূমিকা পালন করে আসছি। রোজার কিছুদিন আগে নাগরিক টিভি থেকে কামরুজ্জামান বাবু ভাই আমাকে ফোন করে বললেন, ঈদের ষষ্ঠ দিন আমার শো। আমি যথারীতি শো করতে রাজি হলাম এবং তিনি আমাকে পেমেন্টের বিষয় বলাতে আমি ভাবলাম আমার শ্রদ্ধেয় দুজন প্রিয় মানুষ মরহুম মেয়র আনিসুল হক এবং তুষার স্যার এই চ্যানেলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই তাকে বললাম আমার পেমেন্ট লাগবে না, তবে আমার সঙ্গে টেকনিক্যাল যারা যাবে ওদের পেমেন্ট দিলেই হবে। তবে পরবর্তী সময়ে অ্যাকাউন্টসের সঙ্গে কথা বলে তিনি আমাকে নিশ্চিত করলেন। পরবর্তী সময়ে বগুড়া ক্যান্টনমেন্টে ঈদের পঞ্চম দিন একটি লাইভ কনসার্ট লক করে ফেলি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ঈদের চতুর্থ দিন এসে আমি জানতে পারি যে নাগরিক টিভির শো হচ্ছে ঈদের পঞ্চম দিন। তখন যেহেতু আমি একটা জায়গায় কথা দিয়ে ফেলেছি, এছাড়াও অলরেডি অ্যাডভান্স টাকাও নিয়ে নিয়েছি। প্রফেশনালি সেখান থেকে আসার কোনো উপায় ছিল না। আর আমাকে সেটাই করতে হয়েছিল। কারণ আমি জানতাম নাগরিক টিভিতে আমার শো হচ্ছে ঈদের ষষ্ঠ দিন। তবে এই ভুল বোঝাবুঝিটা কেন হয়েছে, কী কারণে হয়েছে তা আমি সঠিক বলতে পারব না। তবে ওইদিন রাতে আবার কামরুজ্জামান বাবু ভাইয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়। পরে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। তবে এই বিষয়টা নিয়ে অনেকেই হয়তো আমার ওপর মনঃক্ষুন্ন। আমি সবার উদ্দেশে বলতে চাই, এটা সম্পূর্ণ একটা ভুল বোঝাবুঝি ছাড়া কিছুই না।

আনন্দধারা : আপনার বর্তমান কাজের ব্যস্ততা কী নিয়ে?

মাহতিম শাকিব : আমার ব্যস্ততা এখন শুধু নিজেকে নিয়েই। নিজেকে সম্পূর্ণভাবে গুছিয়ে ভালো কিছু কাজ করার জন্য পুরোপুরি সময় দিচ্ছি।

আনন্দধারা : আপনার মৌলিক গান কবে থেকে শুরু করা হয়?

মাহতিম শাকিব : নাটকের জন্য মূলত আমি প্রথম মৌলিক গান করি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সংগীত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিজের গাওয়া এবং সুর করা গানের মধ্য দিয়ে কাজ করা হয়েছে ও হচ্ছে।

আনন্দধারা : আপনার প্রিয় সংগীতশিল্পী?

মাহতিম শাকিব : অনেকেই প্রিয় সংগীতশিল্পী রয়েছেন। সবার নাম হয়তো এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। তবে ওস্তাদ নোমান আলী খান, মেহেদি হাসান, নুসরাত ফতেহ আলী খান- এদের গান আমার খুব ভালো লাগে। এছাড়া যার একটা গান ভালো লাগে তার সবকিছুই আমার ভালো লাগে। তবে আমি ব্যক্তিজীবন দিয়ে কখনো শিল্পীজীবন বা শিল্পকে বিচার করি না।

ছবি : তানভীর হৃদয়

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।

Home popup