রূপচাঁদা স্বাস্থ্য ফিচার : ডিম খাওয়ার উপকার

ডিম আগে না মুরগি আগে? তা নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও ডিমের উপকারিতা নিয়ে মতবিরোধ নেই। আদি থেকে অনন্তকাল ধরে ডিমের নানা পদ আমাদের খাবারে শোভাবর্ধন করে আসছে। ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। প্রোটিনের উপকার অনেক। আমাদের শরীর যেমন ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট স্টোর করে রাখে, প্রোটিন কিন্তু তেমনভাবে স্টোর করতে পারে না। তাই হাড়, মাংসপেশি, রক্ত, ত্বক ও চুল ভালো রাখার জন্য নিয়মিত প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এছাড়া বিভিন্ন এনজাইম, হরমোন তৈরি করায় বা টিস্যু রিপেয়ার করার জন্য প্রোটিন ব্যবহৃত হয়। ডিম এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উপকারী। কারণ ডিমে এক ধরনের হাই কোয়ালিটি প্রোটিন পাওয়া যায়। সেখানে নানা রকমের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। এই প্রোটিন খেলে বারবার খিদে লাগার প্রবণতা কমে আসে। আর ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ডিমের মধ্যে যা ফ্যাট থাকে, তার বেশিরভাগই আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। তাই ডিম আপনার হার্টের জন্যও ভালো। ডিমে থাকা ভিটামিন বি টু হার্টের যেকোনো অসুখে রুখে দাঁড়ায়। এছাড়া ভিটামিন ‘এ’ চোখ ভালো রাখে ভিটামিন ই ফ্রি র‌্যাডিক্যালের সঙ্গে লড়বে। ভিটামিন ‘ডি’ হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখবে আর ভিটামিন ‘বি’ টুয়েলভ লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি করতে সাহায্য করবে। এছাড়া আয়রন, আয়োডিন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস আর জিঙ্কের মতো প্রচুর উপকারী মিনারেলও উপস্থিত। আরো উপস্থিত কোলিন নামের একটি বিশেষ নিউট্রিয়েন্ট। কোলিন মস্তিষ্ক ও হার্টের পক্ষে তো ভালোই ইনফ্ল্যামেশন ডায়াবেটিস রোধেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। উপকার অনেক হলেও এটা ঠিক যে ডিমে একটু বেশি পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে। তবে এটাও ঠিক, খাবারের কোলেস্টেরল কিন্তু রক্তের কোলেস্টেলের ওপর কোনোভাবে প্রভাব ফেলে না। যদি কেউ অসুস্থ থাকেন, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ডিম খাবেন। ডিম সেদ্ধ থেকে শুরু করে ডিমের নানা উপাদেয় ঝাল-মিষ্টি খাবার দারুণ লোভনীয়।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।

Home popup