অদম্য আফিফ

আফিফ হোসাইন ধ্রুব, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের তরুণ তুর্কি। ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেট নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন খুলনার ছেলে আফিফ। আফিফের মা নেই। একদম ছোটবেলায়, যখন মুখে কথাও ফোটেনি, তখন মাকে হারিয়েছেন তিনি। খুলনার ছেলেটি বড় হয়েছে ঢাকায়, খালার কাছে। বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন কখনো ছেলের ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্নে বাধা হয়ে দাঁড়াননি। ২০১০ সালে বিকেএসপিতে সপ্তম শ্রেণিতে আফিফকে ভর্তি করিয়ে দেন বাবা। সেই থেকে আফিফের স্বপ্ন আরো বড় হলো। সেই স্বপ্ন জুড়ে শুধুই ক্রিকেট, ক্রিকেট এবং ক্রিকেট। স্বপ্ন শুরু হতে শুরু করে বিপিএলের মাধ্যমে। বোলিং দিয়ে বিপিএলের মঞ্চে আবির্ভাবেই আলো ছড়ান আফিফ হোসেন ধ্রুব। বিপিএলের মঞ্চে ডেভিড ওয়ার্নার, জেসন রয়, নিকোলাস পুরাণদের সঙ্গে জুটি গড়ে খেলার পথে রেখেছেন সাবলীলতার ছাপ। গত যুব বিশ্বকাপে আইসিসি মনোনীত সেরা ‘উদীয়মান তারকা’ নির্বাচিত হন আফিফ। সম্প্রতি ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বিপর্যয়ের মুখ থেকে দলকে তুলে এনে দেশজুড়ে সবার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী আফিফ হোসেন ধ্রুব। ২০১৬ সালের বিপিএলে রাজশাহী কিংসের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে (১৭ বছর ৭২ দিন) টি-টুয়েন্টিতে পাঁচটি উইকেট তুলে সবার চোখে পড়েন তিনি। আফিফ মূলত একজন বাঁ-হাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান, যিনি ২০১৬ এশিয়া কাপের জন্য বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সহঅধিনায়ক ছিলেন। এই অলরাউন্ডার ব্যাটিং বাম হাতে করলেও বল করেন ডান হাতে। জাতীয় দলে আফিফের এটি ছিল দ্বিতীয় ম্যাচ।

আনন্দধারা : ক্রিকেটের সঙ্গে পথচলা শুরু হলো কীভাবে?

আফিফ হোসেন : ছোটবেলায় সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতাম ক্রিকেট। যদিও বড় ক্রিকেটার কিংবা জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখার বয়স তখনো হয়নি।

আনন্দধারা : ক্রিকেট খেলতে পরিবারের কোনো বাধা ছিল?

আফিফ : না, পরিবারের কারো কাছ থেকে কখনো বাধা পাইনি। বরং সবাই আমাকে সাপোর্ট করেছে। একটু বড় হয়ে বাবাকে বিকেএসপিতে ভর্তির ইচ্ছার কথা জানাই। মা নেই বলেই হয়তো বাবা আমার ইচ্ছার মূল্য দিয়েছিলেন। বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার আগেই অবশ্য ২০০৯ সালে খুলনা জেলা দলের হয়ে জীবনের প্রথম টুর্নামেন্ট খেলেছিলাম।

আনন্দধারা : আপনাকে নিয়ে বাবা কী স্বপ্ন দেখেন?

আফিফ : বাবা সব সময় বলেন, ‘একদিন তুমি বাংলাদেশের হয়ে খেলবে। আমি চাই, তুমি বাংলাদেশের হয়ে খেলো।’ বাবার স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করেছি। কিছুটা হলেও সেটা করতে পেরেছি।

আনন্দধারা : স্বপ্নের পথে এখন কোন জায়গায় অবস্থান করছেন?

আফিফ : আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে তেমন কিছু ভাবি না। সবসময় বর্তমান নিয়ে চিন্তা করি। এখন যে কাজটা করছি, যে খেলা আছে, তাতে সেরা পারফর্ম করতে পারলে ভালো কিছুই হবে আমার জন্য।

আনন্দধারা : সম্প্রতি ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজের ব্যাটিং কতটা উপভোগ করেছেন?

আফিফ : একটা ম্যাচ ভালো করেছিলাম। বাকিগুলোতে ছোট ছোট ইনিংস হয়েছে। ওগুলোও আরেকটু বড় করতে পারলে ভালো হতো।

আনন্দধারা : ব্যাটিংয়ে নিজের শক্তি কোনটি বলে মনে হয়?

আফিফ : আমাকে সবাই বলে তুমি সবদিকে শটস খেলতে পারো। ডট বল হলে চাপ নেয়ার কিছু নেই। যদি ৫টা ডট বলও দাও, পরের ৫ বলে ১৫ রান নেয়ার ক্ষমতা তোমার আছে। আমার মাইন্ডসেটটা বড় জিনিস। এটা ঠিক থাকলে বড় স্কোর করতে পারব।

আনন্দধারা : মাত্র ১৮ বছর বয়সে জাতীয় দলে অভিষেক, এক ম্যাচ খেলেই বাদ গেলেন। আবার এক বছর পর সুযোগ পেয়ে কী মনে হয়েছিল?

আফিফ : সম্প্রতি যে ম্যাচগুলো ছিল, ওইগুলোতে ভালো পারফর্ম করার সময় একটা চিন্তাই মাথায় ছিল, যেন জাতীয় দলে আবারো কামব্যাক করতে পারি। যদি সুযোগ পাই, চেষ্টা করব আরো ভালো পারফর্ম করার; যেন আবারো ব্যাক না করতে হয়।

আনন্দধারা : অল্প বয়সে দল থেকে বাদ পড়ার প্রভাবটা আপনার ওপর কতটুকু পড়েছে?

আফিফ : আসলে ওইটার প্রভাব তেমন একটা পড়েনি। আমি চেষ্টা করছি আমাকে যেখানেই খেলানো হোক না কেন, সেখানেই যেন নিজের সেরাটা দিতে পারি।

আনন্দধারা : জাতীয় দলের হয়ে কোন জায়গায় ব্যাটিং করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?

আফিফ : আমাকে যেখানেই খেলানো হবে, সেখানেই আমি আমার সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করব। আর ‘এ’ দলে তো মিডল অর্ডারেই খেলেছি। চেষ্টা থাকবে এখানেও সেই ধারাবাহিকতাটা ধরে রাখার।

আনন্দধারা : ঘরোয়া লিগ ছাড়াও শ্রীলংকা এবং আফগানিস্তান ‘এ’ দলের বিপক্ষে ওয়ানডেতে ধারাবাহিক ছিলেন, জাতীয় দলেও কি একই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চান?

আফিফ : ফর্ম তো সবাই ধরে রাখতে চায়। শ্রীলংকার বিপক্ষে যেভাবে খেলেছি, অনেক আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। এটাকে টি-টোয়েন্টিতেও কাজে লাগাতে চেয়েছি।

আনন্দধারা : টি-টোয়েন্টিতে ফিরেছেন, বাকি দুই ফরম্যাটের জন্য আপনি কতটা প্রস্তুত?

আফিফ : আমি সব সময় সবকিছুর জন্য প্রস্তুত। আমি যে ফরম্যাটেই খেলি না কেন, আমার লক্ষ্য একটাই থাকবে, নিজের সেরাটা দেয়ার। তারা যদি মনে করে আমাকে সুযোগ দেয়া উচিত, আমাকে দলে নেবে। আমি তো সব সময়ই চেষ্টা করি ভালো খেলার।

আনন্দধারা : ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণেই কী আপনি দলে ডাক পেয়েছেন?

আফিফ : জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার কারণ তো বলতে পারছি না। আমার চেষ্টা ছিল এখানে ভালো করার, এখানে ভালো করলে হয়তো সুযোগ আসবে। সেখান থেকেই ভালো করার প্রেরণা।

আনন্দধারা : ২০১৬ বিপিএল দিয়ে লাইমলাইটে এলেন বোলার হিসেবে। পরে বোলার থেকে ব্যাটসম্যানে নিজেকে কীভাবে রূপান্তর করলেন?

আফিফ : আমি ছোটবেলা থেকেই ব্যাটসম্যান ছিলাম, শুধু ওই সময়ে বোলিংয়ের সুযোগটা এসেছিল। বোলিং ভালো করে ফেলেছিলাম। তখন থেকেই বোলার হিসেবে সবাই আমাকে চেনে। সে সময় ব্যাটিংয়ের বেশি সুযোগ পাইনি। এর পরের বিপিএল থেকে ব্যাটিংয়ের সুযোগটা পেয়েছিলাম, সেটাকে কাজে লাগিয়েছি।

আনন্দধারা : সামনে বিপিএল আসছে, সঙ্গে জাতীয় দলেও ডাক পেলেন। দলে জায়গা পাকা করতে বিপিএল কতটুকু সাহায্য করতে পারে?

আফিফ : ভালো খেললে তো সবকিছুই সাহায্য করে। আসল কথা হলো ভালো খেলতে হবে, খেললে সব জায়গায় ডাক পাব।

আনন্দধারা : সামনের বছর অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, সেটা নিয়ে এখন থেকে কিছু ভাবছেন?

আফিফ : সেটা অনেক দূরে এখনো, এখনই এটা নিয়ে ভাবছি না।

আনন্দধারা : বিপিএলে ওয়ার্নারের সঙ্গে ব্যাটিং করার সুযোগ হয়েছিল আপনার, সেই অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

আফিফ : আসলে এমন একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে ব্যাটিং করা ভাগ্যের ব্যাপার। সবাই সুযোগটা পায় না। চেষ্টা করেছি তার কাছ থেকে কিছু জিনিস শেখার। পাওয়ার প্লেতে কীভাবে ব্যাটিং করে, পরে কীভাবে ব্যাটিং করে, কয়েকটা জিনিস শিখতে পেরেছি। বাউন্ডারি মারার পর ডট বল না দিয়ে কীভাবে স্ট্রাইক রোটেট করতে হয়, দেখে কিছু শিখেছি। এ জিনিসগুলো যদি আরো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারি, আমার জন্য খুব ভালো হবে।

আনন্দধারা : ওয়ার্নারের সামনে নার্ভাস ছিলেন না?

আফিফ : ওয়ার্নার অনেক ফাস্ট, আমি নিজেও রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে ফাস্ট থাকার চেষ্টা করি সবসময়। যখন এ জিনিসটা দু’জনের (ওয়ার্নারের সঙ্গে) মিলেছে, তখন সহজ হয়ে গেছে। ওয়ার্নার রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে ভালো, কলও ভালো। আমরা হাফ রানকে এক রান করেছি। যেটি দুই হয় না, সেটিও দুই করে ফেলেছি, বোঝাপড়ার কারণে।

আনন্দধারা : আপনার ব্যাটিং নিয়ে ওয়ার্নারের মন্তব্য কী ছিল?

আফিফ : আমাকে বিশেষভাবে কিছু বলেননি। মাঠ ও মাঠের বাইরে সবসময় বলেছে তুমি তোমার স্ট্রেন্থের মধ্যে থাকো। তোমার সব শটস আছে, সবদিকে খেলতে পারো। তুমি ইতিবাচক থাকবা, নিজের মতো করে খেলবা, তাহলে আমাদের টিমের জন্য ভালো হবে।

আনন্দধারা : বিপিএলে ভালো খেলে জাতীয় দলের জন্য কতটুকু সুযোগ তৈরি হয়?

আফিফ : যখন অনূর্ধ্ব-১৫, ১৭, ১৯ দলে খেলি, তখন থেকেই ইচ্ছা বাংলাদেশের হয়ে খেলব। বাংলাদেশের হয়ে ডমিনেট করে নিজেকে বিশ্বক্রিকেটেও প্রতিষ্ঠিত করব। সেটি তিন ফরম্যাটেই। জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন তো সবারই থাকে, আমারও ছিল। বিপিএলে বিশ্বের ভালো ভালো ক্রিকেটারের সঙ্গে খেলতে পারায় আত্মবিশ্বাস বাড়ছে, অভিজ্ঞতা হচ্ছে, যা সামনে কাজে দেবে।

আনন্দধারা : জাতীয় দলের অভিষেকে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন, সেই ম্যাচটা নিয়ে কি কোনো আক্ষেপ হয়?

আফিফ : জাতীয় দলে খেলা নিয়ে আমার আক্ষেপ নেই। কারণ সুযোগ আমি পেয়েছিলাম। একটা ম্যাচও অনেক। আমার দুর্ভাগ্য, সেদিন আমি বাজেভাবে আউট হয়েছিলাম (শ্রীলংকার বিপক্ষে)। ওটা মনে পড়লে এখনো খারাপ লাগে। ভবিষ্যতে অনেক সময় আছে। এখন ভালো করতে থাকলে অবশ্যই ভালো জায়গায় যেতে পারব।

আনন্দধারা : বিপিএল খেলে শেখার সুযোগ কতটুকু?

আফিফ : বিপিএলে দেশ ও বিদেশের অনেক সিনিয়র খেলোয়াড় খেলে থাকেন। তাই তাদের কাছে অনেক কিছুই শেখার থাকে। এটা অনেক বড় সুযোগ। শর্ট টাইমে বড় জায়গায় খেলার সুযোগ মিলছে। কাজে লাগাতে পারলে ভবিষ্যতের জন্য ভালো। ঘরোয়া অন্যান্য লিগে দর্শক থাকে না, এখানে থাকে। নতুন একজন খেলোয়াড়ের জন্য বেশ চাপ থাকে। বিদেশি বড় বড় ক্রিকেটার থাকে। তাদের সঙ্গে এখানে অভ্যস্ত হয়ে যখন কেউ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে, তার কাছে তখন সব স্বাভাবিক মনে হবে।

আনন্দধারা : বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জেতা নিয়ে আপনি কতুটুকু আশাবাদী?

আফিফ : আমাদের দল দিন দিন উন্নতি করছে। আমরা এখন সহজেই যে কোনো ভালো দলকে হারাতে পারি। একটা সময় তা আমরা পারতাম না। তাই আমরা একদিন বিশ্বকাপ জিতবই ইনশাআল্লাহ।

আনন্দধারা : আপনার প্রিয় ক্রিকেটার কারা?

আফিফ : তামিম ভাই আর সাকিব ভাই। তামিম ভাইয়ের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং খুব ভালো লাগে। সাকিব ভাইয়ের মতো অলরাউন্ডার হতে চাই। দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি ককের খেলাও ভালো লাগে আমার। তবে আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্রিকেটার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।

আনন্দধারা : জাতীয় দলের কোন ক্রিকেটারের মতো হতে চান?

আফিফ : আমার সবসময় সাকিব ভাইয়ের খেলা ভালো লাগে। উনি আমার আইকন। আমি ওনার মতো হতে চাই।

আনন্দধারা : দেশের বাইরের ক্রিকেটারদের মধ্যে আইডল কে?

আফিফ : অবসর নিয়ে নিয়েছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।

আনন্দধারা : প্রতিদিন কোন স্বপ্ন দেখেন?

আফিফ : নিজের দেশকে নিয়ে খুব ভালো কিছু করা।

আনন্দধারা : আফিফ জেদি নাকি শান্ত?

আফিফ : না, জেদি না। একটু চুপচাপ থাকতেই পছন্দ করি। তবে লাজুক বলতে পারেন।

আনন্দধারা : খেলার বাইরে কী নিয়ে ব্যস্ত থাকা হয়?

আফিফ : সারাদিন তো প্র্যাকটিসেই থাকি। প্র্যাকটিস ছাড়া সাধারণত বন্ধুদের সঙ্গে গেম খেলা হয় বা আড্ডা দেয়া হয়। গেম ফিফা খেলা হয় বেশি।

আনন্দধারা : প্রিয় বন্ধু কে?

আফিফ : জাকির (জাতীয় দলের হয়ে একটি টি-টোয়েন্টি খেলা জাকির হাসান)। শাকিরি নামে ডাকি তাকে। ও দেখতে সুইস ফুটবলার শাকিরির মতো ছোটখাটো। আমাদের সামনে শাকিরির ভাব নেয়ার চেষ্টা করে।

আনন্দধারা : ক্রিকেটার না হলে কী হতেন?

আফিফ : এটা বলতে পারছি না। কারণ ক্রিকেটের বাইরে কখনো কিছু ভাবা হয়নি। তবে ক্রিকেটার না হলে হয়তো লেখাপড়াই করতে হতো।

আনন্দধারা : আপনার প্রিয় খাবার?

আফিফ : প্রিয় খাবার তো সবকিছুই!

আনন্দধারা : আপনার প্রিয় মানুষ কে?

আফিফ : আমার বড় খালামণিই আমার প্রিয় মানুষ।

আনন্দধারা : ক্রিকেট ছাড়া আর কোনো খেলা ভালো লাগে?

আফিফ : ফুটবল খেলা আমার প্রিয়। লিওনেল মেসির খেলা আমার খুব ভালো লাগে। তবে আমার প্রিয় ফুটবল দল ব্রাজিল।

আনন্দধারা : আপনার ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত?

আফিফ : সদ্য শেষ হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষের ইনিংসটা অবশ্যই আমার জন্য সেরা একটি মুহূর্ত। এই ম্যাচ শেষে প্রধানমন্ত্রী আমাকে ফোন দিয়েছিলেন। তখন খুব আপ্লুত ছিলাম। এটা আমি সত্যিই আশা করিনি। এছাড়া গত বিপিএলে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে খুলনা টাইটানসের হয়ে ৫৪ রানের ইনিংসটাও আমার আরেকটি সেরা মুহূর্ত।

ছবি : তানভীর হৃদয়

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।

Home popup