নিজেকে রাখুন এই গরমেও ফ্রেশ

সারাদিন নানা কাজের জন্য আমাদের বাইরে বের হতে হয়। ‘স্কুল-কলেজ, অফিস, ইউনিভার্সিটি আরো কত কাজ! সারাদিন যারা ক্যাম্পাসে পড়াশোনার জন্য ব্যস্ত থাকেন, তাদেরও নিজের রূপচর্চার ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। দেখা যায় কাজ বা পড়াশোনার চাপে নিজের প্রতি অনেক সময় খেয়াল করা হয় না। আর দেখা যায় ক্লাস বাদে এ সময় বন্ধুদের সঙ্গে হঠাৎ হঠাৎ বিভিন্ন প্ল্যান হয়ে যায়। তাই সবসময় নিজেকে একটু গুছিয়ে রাখলে আনন্দের সঙ্গে আড্ডা বা বেড়ানো উপভোগ করা যায়। তাই সারাদিনই নিজেকে রাখুন ফ্রেশ এই গরমেও।

 ফ্রেশ থাকার জন্য গোসলের ভূমিকা অনেক। গরমে গোসলে ব্যবহার করতে পারেন এক্সফোলিয়েটিং শাওয়ার জেল। শরীরে জমে থাকা ঘাম এবং নোংরা খুব ভালো করে পরিষ্কার করা ফ্রেশ থাকার প্রথম ধাপ। সকালে ওঠার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে গোসল সেরে নিলে বাড়তি এনার্জি পাওয়া যায়। গোসলের পর শরীর ভেজা থাকতে থাকতে মাইন্ড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

সামান্য বেবি অয়েল দিয়েও ময়েশ্চারাইজ করতে পারেন। হালকা সাইট্রাস বা ফ্লোরাল সুগন্ধি মেশানো ময়েশ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার করা ভালো। ডিওডোরেন্ট এবং পারফিউমের ক্ষেত্রেও বেছে নিতে পারেন ফ্লোরাল, ফ্রুটি বা গ্রিন স্মেল। যা-ই ব্যবহার করবেন না কেন তা যেন মাইল্ড হয়। গরমে খুব কড়া স্মেল ভালো লাগে না। সবকিছুতে স্নিগ্ধতা বিরাজ করে।

ত্বকের সুরক্ষায় প্রথমেই তা পরিষ্কার রাখা জরুরি। সপ্তাহে দু’থেকে তিনবার ঘরোয়া স্ক্র্যাব দিয়ে মুখ, গলা, হাত, পা এবং পিঠের এক্সপোজড অংশ ভালো করে পরিষ্কার করুন। শরীরের যেসব অংশে বেশি ঘাম জমে যেমন বাহুসন্ধি, সেগুলো পরিষ্কার রাখার দিকে বাড়তি খেয়াল করুন। আন্ডারআর্ম নিয়মিত ওয়্যাক্স করিয়ে নিন। ডার্ক প্যাঁচ এড়াতে বেসন এবং গোলাপ জলের মিশ্রণ লাগাতে পারেন।

চন্দন গুঁড়ো পানিতে মিশিয়েও লাগাতে পারেন। যারা খুব বেশি ঘেমে যান তারা আন্ডারআর্মে সোয়েট প্যাড ব্যবহার করতে পারেন। জামাকাপড়ের ওপর ঘামের দাগ স্পষ্ট পড়বে না। এছাড়া যারা জুতো পরেন, তাদের পায়ে ঘাম জমার প্রবণতা দেখা দেয়। বাড়িতে ফিরে পা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। মাসে দু’বার ফুট স্পা করাতে পারেন।

গরম চট করে ফ্রেশ থাকার জন্য হ্যান্ডব্যাগে একটা ছোট্ট সামার কিট রাখুন। কিটে একটা মাইল্ড ফেসওয়াশের সঙ্গে সঙ্গে সানস্ক্রিন লোশন এবং ছোট্ট হ্যান্ড টাওয়াল অবশ্যই রাখবেন। বাইরে থেকে এসে ফ্রেশ হয়ে কাজ সারুন। ভালো ব্র্যান্ডের ওয়েট টিস্যু সঙ্গে রাখুন। এছাড়া সঙ্গে রাখা প্রয়োজন ছাতা, সানগ্লাস ও খাবার পানি।

চুল বেঁধে চলার চেষ্টা করুন। ঘামে ভেজা চুল প্রতিদিন ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে। কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। প্রচুর পানি, জুস ও ফল খান। ফ্রেশ থাকবেন। ক্লান্তি কম থাকবে।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।

Home popup