‘মিডিয়াটা ভালো অবস্থানে আছে বলে মনে হচ্ছে না’- রিয়াজ

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা রিয়াজ। অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। বেশ কয়েকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। চলচ্চিত্রে প্রথম আসার গল্প, বর্তমান ব্যস্ততা, নিজের বিপরীতে অভিনয় করা নায়িকাদের নিয়ে ভালো-মন্দ ভাগাভাগি করেছেন আনন্দধারা পত্রিকার সঙ্গে। 

 

আনন্দধারা : বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?

রিয়াজ আহমেদ : আমার একটা কমিউনিকেশন ফার্ম আছে, এজেন্সি পিঙ্ক ক্রিয়েটিভ। এটার বিভিন্ন কাজের পাশাপাশি মিডিয়ার কাজ নিয়েই বর্তমান ব্যস্ততা চলছে।

আনন্দধারা : অভিনয় এবং ব্যবসা- এই দুটোকে সমন্বয় করেন কীভাবে?

রিয়াজ আহমেদ : ব্যবসা হচ্ছে ব্যবসার জায়গা, আর অভিনয়টা হচ্ছে প্যাশনের জায়গা। তাই শত কাজের ব্যস্ততার মাঝেও অভিনয়ের জন্য সময় বের হয়ে যায়। আমরা একটা টিম হিসেবে কাজ করি এবং আমাদের টিমটা অনেক শক্তিশালী। অফিসে না থাকলেও কখনো মনে হবে না আমি নেই। তারা খুব সুন্দরভাবে টিম অনুসারে কাজটা চালিয়ে যায়।

আনন্দধারা : অভিনয়ে আসার শুরুর গল্পটা?

রিয়াজ আহমেদ : অভিনয়ে আসার কোনো গল্প নেই। হঠাৎ করেই আমার অভিনয়ে আসা। তাছাড়া আমার আগে থেকে কোনো ধরনের স্বপ্নও ছিল না যে আমি একজন অভিনয় শিল্পী হবো।

আনন্দধারা : বড় পর্দার সফল নায়ক হয়েও ছোট পর্দায় কাজ শুরু করলেন কেন?

রিয়াজ আহমেদ : আমার কাছে অভিনয় করাটা গুরুত্বপূর্ণ, পর্দা কোনো বিষয় না। আমার কাছে বড় পর্দা বা ছোট পর্দা বলে এমন কিছু নেই। আমার কাছে তখন মনে হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের মতো একজন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কাজ করতে চেয়েছি, সেটা কোন পর্দা তা দেখতে চাইনি।

আনন্দধারা : বড় পর্দা থেকে ছোট পর্দায় কাজ করাটাকে অনেকেই তো নেতিবাচকভাবে দেখে। মনে করে বড় পর্দায় চাহিদা কমে গেছে। আপনি এ বিষয়টাকে কীভাবে দেখেন?

রিয়াজ আহমেদ : আসলে অনেকের যুক্তি বা অনেকের কথা কিংবা অনেকের বুদ্ধি দিয়ে আমি চলি না। আমি যা করি তা আমার নিজস্ব বিচার, বিবেচনা ও বুদ্ধি দিয়েই করি। আমার কাছে সেই মুহূর্তে হুমায়ূন আহমেদ অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তার সঙ্গে কাজ করাটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এক কথায় আমার তার সঙ্গে কাজ করতে ভালো লেগেছে তাই করেছি। সেক্ষেত্রে কে কী মনে করল, আমার চাহিদা কমে গেছে বা চাহিদা কমে যায়নি তাতে আমার কিছু যায় আসে না। এ বিষয়টা আমার দর্শকই ভালো বলতে পারবেন। আর কার চাহিদা আছে বা নেই এ ধরনের ভিত্তিহীন কথাবার্তা আমার কাছে কোনো ধরনের মূল্য নেই। এগুলো এক ধরনের মানুষের মিথ্যা প্রচারণা। চাহিদা কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া এটা একটা হাস্যকর ব্যাপার। আমি খুব পজেটিভ এবং সাধারণভাবে চলার চেষ্টা করি। দর্শকের ভালোবাসা পেয়ে তাদের মনে আমার যে জায়গা রয়েছে আমি মনে করি তা আজীবনই থাকবে।

আনন্দধারা : বড় পর্দা এবং ছোট পর্দায় অভিনয়ের কী কোনো পার্থক্য আছে?

রিয়াজ আহমেদ : বড় পর্দা ও ছোট পর্দায় অভিনয়ের কোনো পার্থক্য আছে কিনা আমি জানি না। এ বিষয়ে আমার কোনো ধারণাও নেই। আমি দুই মাধ্যমেই অভিনয় করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। দুই মাধ্যমের অভিনয়ের পদ্ধতি কিংবা ধরন সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।

আনন্দধারা : আমাদের চলচ্চিত্র এবং নাটকের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

রিয়াজ আহমেদ : বর্তমানে সবাই খুব ভালো করার চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনো একটা বিচিত্র কারণে বর্তমান মিডিয়াটা ভালো অবস্থানে আছে বলে মনে হচ্ছে না। মানুষজনের হাতে কাজ কমে যাচ্ছে। শিল্পীদের সম্মান কমে যাচ্ছে। বর্তমান মিডিয়ার অবস্থাকে খুব বেশি পজেটিভ মনে হচ্ছে না।

আনন্দধারা : আমাদের দুই মাধ্যমে এখন অনেক সংগঠন হয়েছে। সংগঠনগুলো কি তাদের কাজের যথাযথ দায়িত্ব পালন করছে?

রিয়াজ আহমেদ : কে কী করছে না করছে কিংবা কাউকে বিচারের জন্য আসলে আমি না। নিজে কতটুকু কী করতে পারছি সেই দিকটাতে বেশি গুরুত্ব দিই। আমার নিজের কাজটাই আমি ঠিকভাবে করতে পারছি না, সেখানে সংগঠনগুলো কী কাজ করছে, কী করছে না কিংবা তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছে কিনা সে বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করার মতো ধৃষ্টতা আমি দেখাতে চাই না।

আনন্দধারা : দুই মাধ্যমের সংগঠনগুলোর মধ্যে কয়েক বছর অন্তর নির্বাচনী হাওয়া বইতে থাকে। ভবিষ্যতে কী আবারো নেতা হওয়ার ইচ্ছা আছে?

রিয়াজ আহমেদ : ভবিষ্যতে নির্বাচন করব কিনা জানি না। মনে হচ্ছে না, পববর্তী সময়ে আবার নির্বাচন করব। আর নেতা হয়ে তা কোনো লাভ নেই যদি কোনো কাজই না করতে পারি। কাজ করাটাই বড় বিষয়। কোনো কিছু করতে গেলে যে নেতা হতে হবে এটা আমি বিশ্বাস করি না। কাজ করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আনন্দধারা : আপনার এই দীর্ঘ অভিনয় জীবনে কী কী প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হয়েছিল?

রিয়াজ আহমেদ : প্রতিবন্ধকতা প্রতি মুহূর্তেই ছিল। বিভিন্ন বাধা-বিপত্তি ছিল এবং নানা ধরনের রাজনীতি ছিল। পজেটিভ রাজনীতিগুলোকে আমি পজেটিভনেস দ্বারা মোকাবেলা করেছি। আর নেগেটিভ রাজনীতি যখন দেখেছি কিংবা যখন বুঝতে পেরেছি এই নোংরামির বিপক্ষে গিয়ে আমার কিছু করার নেই, তখন সেখান থেকে সরে গেছি।

আনন্দধারা : আপনার চোখে আমাদের প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ্ কেমন ছিলেন?

রিয়াজ আহমেদ : তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ ব্যক্তি। খুবই সাধারণ এবং প্রাণচাঞ্চল্য ছিলেন। তার সংস্পর্শে এলে প্রতিটা মানুষই নরমাল এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রার চেয়ে একটু যেন আনন্দ পেত। সে যে ইউনিটে থাকত সবাই খুব আনন্দে থাকত। সবাইকে খুব আনন্দে রাখতে পারা এটা তার একটা অসাধারণ গুণ ছিল।

আনন্দধারা : সালমান শাহর প্রয়াণ তখন আপনার ক্যারিয়ারে কী কোনো সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল?

রিয়াজ আহমেদ : আসলে কারো প্রয়াণ কারো ক্যারিয়ারে সহায়ক ভূমিকা পালন করে বলে আমি মনে করি না। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। নিজের ক্যারিয়ার নিজেকেই তৈরি করে নিতে হয়। এখানে কারো প্রয়াণ কারো ক্যারিয়ারে হেল্প করতে পারে না। ভারত কিংবা বাইরের দিকে তাকালেই দেখা যায় একটা ছবিতে কাজ করে একেকজন স্টার হয়ে আসে। কারণ সেখানে সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করছে এবং সবাই মিলেই একটা ইন্ডাস্ট্রি। একজন তো আর ইন্ডাস্ট্রি চালাতে পারে না।

আনন্দধারা : নতুন যারা চলচ্চিত্রে কাজ করছে তাদের মাঝে আপনি কতটুকু সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন?

রিয়াজ আহমেদ : নতুনরা খুব ভালো করছে, তবে তাদের জন্য খুব দুঃখ হয়। তারা ভালো ব্রেক পাচ্ছে না, ভালো ফিল্ম পাচ্ছে না, ভালো গল্প পাচ্ছে না। তারা যদি ভালো গল্প পেতা তাহলে আরো অনেক ভালো করত। তবে নতুনদের মাঝে আমি সিয়ামের মাঝে সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। ছেলেটা ভালো, শিক্ষিত এবং ডেডিকেটেট। আমার মনে হয় ভবিষ্যতে সিয়াম আরো অনেক ভালো কিছু করবে।

আনন্দধারা : চলচ্চিত্রে নায়ক রিয়াজের সঙ্গে অনেক নায়িকার জুটিই দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু সেই থেকে যে কোনো একটা জুটি জীবন জুটিতে আবদ্ধ হলো না কেন?

রিয়াজ আহমেদ : ব্যক্তি জীবন আর চলচ্চিত্র জীবন দুটোই সম্পূর্ণ আলাদা। ব্যক্তি জীবন আর অভিনয় জীবনকে আমি কখনোই এক করতে চাইনি। নায়ক রিয়াজ যখন অভিনয় করে, তখন সেটা নায়ক রিয়াজই করে, ব্যক্তি রিয়াজ করে না। নায়ক রিয়াজ এবং ব্যক্তি রিয়াজ সম্পূর্ণ আলাদা বলেই চলচ্চিত্রের কোনো জুটিকে ব্যক্তি জীবনে নিয়ে আসা হয়নি।

আনন্দধারা : শাবনূর, পপি, পূর্ণিমা সহশিল্পী হিসেবে কোন নায়িকা বেশি কো-অপারেটিভ ছিলেন?

রিয়াজ আহমেদ : তারা প্রত্যেকেই খুবই ভালো অভিনেত্রী এবং প্রত্যেকে খুবই আন্তরিক। তাদের সম্পর্কে আলাদাভাবে বলার মতো কিছু নেই।

আনন্দধারা : ব্যক্তি রিয়াজ এবং নায়ক রিয়াজের মধ্যে পার্থক্য কী?

রিয়াজ আহমেদ : দুই রিয়াজের মধ্য অনেক পার্থক্যই রয়েছে। নায়ক রিয়াজ তৈরি হয়েছে মানুষের ভালোবাসার মধ্য দিয়ে। নায়ক রিয়াজ অনেক বেশি বিনয়ী। আর ব্যক্তি রিয়াজের একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে এবং সে তার ব্যক্তি জীবনের বলয়ের মধ্যেই থাকতে পছন্দ করে। ব্যক্তি রিয়াজ খুবই চুপচাপ এবং একজন সাধারণ মানুষ। ব্যক্তি জীবনে সে খুবই সুখী একজন মানুষ।

আনন্দধারা : নিজের সমালোচনা শুনতে কেমন লাগে?

রিয়াজ আহমেদ : খুব ভালো লাগে। কারণ সমালোচকদের মুখ থেকে সমালোচনা শোনার মধ্য দিয়ে নিজের দোষ-গুণ কী আছে, সেটা জানতে পারা যায় এবং নিজেকে সেই অনুযায়ী শুধরে নেয়া যায়।

আনন্দধারা : যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির জন্য কতটা সহায়ক বলে আপনি মনে করেন?

রিয়াজ আহমেদ : যদি সঠিক নিয়ম মেনে যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়, তাহলে সেটা অবশ্যই আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য অনেক ভালো। কিন্তু বর্তমানে এ বিষয়ে আমি কোনো কিছু বলতে চাই না।

আনন্দধারা : ব্যক্তি জীবনে কি অভিনয় করতে হয়?

রিয়াজ আহমেদ : ব্যক্তি জীবনে প্রতিটা মানুষই অভিনয় করে। বর্তমানে আমরা হিপোক্রেটিভ সমাজে বসবাস করছি এবং সবাই এখানে কোনো না কোনো মুখোশ নিয়ে চলাচল করে। তাই ব্যক্তি জীবনে নিজেকেও মাঝে মাঝে মুখোশ ব্যবহার করতে হয়। আর এটাই বোধহয় বর্তমানে সিস্টেম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আনন্দধারা : কার অভিনয় আপনার ভালো লাগে?

রিয়াজ আহমেদ : যদি কারো ভালো কোনো অভিনয় দেখি এবং মনে হয় সেখানে শিল্পের ছোঁয়া আছে, পরিপক্বতা আছে, সেটাই আমার ভালো লাগে। নির্দিষ্ট করে কোনো অভিনেতা বা অভিনেত্রীর নাম বলতে চাই না।

আনন্দধারা : দীর্ঘ অভিনয় জীবনে আপনার কোনো মজার স্মৃতি?

রিয়াজ আহমেদ : অনেক অনেক মজার স্মৃতি আছে, যা সারাদিনেও বলে শেষ করা যাবে না। কিন্তু এই মুহূর্তে নির্দিষ্টভাবে একটাও মনে পড়ছে না।

আনন্দধারা : আপনার অভিনয়ের অনুপ্রেরণা কে বা কারা?

রিয়াজ আহমেদ : অভিনয়ের অনুপ্রেরণা হিসেবে সেই অর্থে আমি কাউকে পাই না। তবে আমার কাজিন ববিতা আপা আমাকে ফিল্মে এনেছেন এবং আমাকে যথেষ্ট পরিমাণে উৎসাহ দিয়েছেন। প্রয়াত দিলীপ বিশ্বাস আমাকে যথেষ্টভাবে সাহায্য করেছেন। নায়ক জসিম ভাই যার ছবিতে আমি প্রথম অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি এবং জসিম ভাই আমাকে যথেষ্ট উৎসাহ দিয়েছেন। এছাড়া আমার সহশিল্পীরাও আমাকে কাজের ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণে সাহায্য করেছেন। আমি তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। সত্যিকার অর্থে অনুপ্রেরণার কথা যদি বলতে হয়, তাহলে দর্শকদের কথাই বলব। কারণ তাদের কারণেই আমি নায়ক রিয়াজ হতে পেরেছি।

আনন্দধারা : আপনার শখ কী?

রিয়াজ আহমেদ : মাছ ধরা আমার শখ। সময়-সুযোগ পেলেই আমি ফিশিং করতে চলে যাই।

আনন্দধারা : আপনার কোনো অপ্রাপ্তি?

রিয়াজ আহমেদ : অনেক অপ্রাপ্তি আছে, যা অন্য কোনোদিন না হয় বলব।

আনন্দধারা : আপনার প্রিয় লেখক?

রিয়াজ আহমেদ : দেশে-বিদেশে অনেকেই আছেন যারা আমার অনেক প্রিয়। তবে দেশের মধ্যে কারো কথা বলতে গেলে আমি হুমায়ূন আহমেদের কথাই বলব। তিনি আমার অসম্ভব প্রিয় একজন মানুষ এবং প্রিয় লেখক। এছাড়া রবীন্দ্রনাথও আমার প্রিয় একজন লেখক।

আনন্দধারা : আপনার প্রিয় সংগীতশিল্পী?

রিয়াজ আহমেদ : প্রিয় সংগীতশিল্পীদের নাম এককথায় বলা যাবে না। অনেকেই আছেন যারা আমার খুব প্রিয়। সর্বোপরি যারা খুব ভালো গান করেন, তারা প্রত্যেকেই আমার প্রিয় সংগীতশিল্পী। নির্দিষ্ট করে কারো নাম বলতে চাচ্ছি না এবং এই মুহূর্তে কারো নামও মনে পড়ছে না।

আনন্দধারা : আপনার প্রিয় ক্রিকেটার?

রিয়াজ আহমেদ : আমার প্রিয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। সমসময়ই সে আমার পছন্দের ক্রিকেটার। তাছাড়া বিশ্বকাপে সে যেভাবে খেলেছে তার সম্পর্কে বলার কিছুই নেই।

আনন্দধারা : আপনার প্রিয় ফুটবলার?

রিয়াজ আহমেদ : ফুটবলে আমি বরাবরই ব্রাজিলকে সমর্থন করি এবং বর্তমানে আমার প্রিয় ফুটবলার নেইমার।

আনন্দধারা : অবসরে কী করেন?

রিয়াজ আহমেদ : অবসর সময়টা কাটে পরিবারের সঙ্গে। এছাড়া মাঝে মাঝে পরিবারকে সময় দেয়ার পাশাপাশি অবসর সময়ে ফিশিং করতে চলে যাই।

আনন্দধারা : ভবিষ্যতে নাটক কিংবা চলচ্চিত্র নির্মাণের ইচ্ছা আছে?

রিয়াজ আহমেদ : আমার কাছে চলচ্চিত্র কিংবা নাটক আলাদাভাবে দেখার কোনো বিষয় না। নির্মাণ তো নির্মাণই। ভবিষ্যতে যখন নির্মাণের জন্য যোগ্য মনে করব, তখনই নির্মাণে যাব। তবে ভবিষ্যতে নির্মাণের ইচ্ছা আছে ।

আনন্দধারা : ভবিষ্যৎ কাজের পরিকল্পনা?

রিয়াজ আহমেদ : ভবিষ্যৎ কাজ নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই। ভবিষ্যতের কথা ভবিষ্যৎই বলে দেবে। কারণ শিল্পীরা ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা করতে পারে না। শিল্পীদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে অন্য কারো কাজের অফারের ওপর। আর সে কারণেই আমি ভবিষ্যৎটা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি না এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু বলতেও চাচ্ছি না।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।

Home popup