তারাদের স্বপ্নে ছিল ক্রিকেট...

মানুষ স্বপ্নপিয়াসু। তাই কারণে-অকারণে আনমনে স্বপের জাল বুনতে ভালোবাসে। মানব জীবনে দেখা স্বপ্ন হয়তো কারো কারো জীবনে স্বপ্ন হিসেবেই থেকে যায়। আবার কারো কারো জীবনে লালিত সেই স্বপ্ন বাস্তব জীবনে এসে ধরা দেয়। বর্তমান মিডিয়া অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত হয়েও ছোটবেলায় যাদের স্বপ ছিল ক্রিকেটার হওয়ার, তাদের নিয়েই এ প্রতিবেদন।

আদিল হোসেন নোবেল

বর্তমান ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত এবং সন্তুষ্ট থাকলেও একটা সময় ক্রিকেট খেলায় পটু ছিলেন আদিল হোসেন নোবেল। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ক্রিকেট খেলায় নিয়মিত হতে পারেননি তিনি। চট্টগ্রামের স্থানীয় ক্লাবের হয়ে অনেকগুলো ম্যাচে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন নোবেল। বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন ছিল তার। কিন্তু তার এ স্বপ্নের কথা পরিবারকে কখনো বলতে পারেননি। কেননা তার পরিবার চেয়েছিল তিনি যেন একটি অভিজাত কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হন। পরিবারের এ ইচ্ছা পূরণ করেছেনও। কিন্তু নিজের ইচ্ছাটা পূরণ করা হয়নি তার। জাতীয় ক্রিকেট দলে খেলতে না পারার কষ্টটা সব সময় তাকে ভাবিয়ে রাখে।

এসডি রুবেল

ছোটবেলা থেকে ক্রিকেট ভক্ত ছিলেন সংগীতশিল্পী এসডি রুবেল। চাঁদপুর ক্রিকেট লীগের হয়ে কয়েকটি ম্যাচ খেলেন তিনি এবং একবার চাঁদপুরের বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবেও নির্বাচিত হন। পরবর্তী একটা সময়ে এসে সংগীতে ব্যস্ত হওয়ার ফলে ক্রিকেট খেলায় নিয়মিত হতে পারেননি তিনি। ক্রিকেটের পাশাপাশি গানের প্রতিও বেশ আগ্রহ ছিল তার। তাই ক্রিকেট ভালো খেলতে পারলেও সেদিকে বেশি মনোযোগী হননি তিনি। তাই গান নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি।

আসিফ আকবর

বাংলা গানের যুবরাজ খ্যাত আসিফ আকবর, যিনি নব্বই দশকের শেষের দিকে ক্রিকেট নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের হয়ে তিনি কয়েকটি ম্যাচও খেলেছেন। ক্রিকেটে নিয়মিত হওয়ার আগেই সংগীত নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তারপর ক্রিকেটে আর নিয়মিত হওয়ার সুযোগ পাননি। তবে বর্তমানে ক্রিকেট নিয়ে টেলিভিশন টকশো কিংবা বিপিএল ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাকে দেখা যায়। গানে নিয়মিত না হলে হয়তো ক্রিকেটারই হতেন আসিফ আকবর।

হামিন আহমেদ

জনপ্রিয় ব্যান্ড দল মাইলসের অন্যতম সদস্য হামিন আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে কয়েকটি ম্যাচও খেলেছিলেন। ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল ক্রিকেটে নিয়মিত হবেন। কিন্তু গানে নিয়মিত হয়ে পড়ার কারণে ক্রিকেটে তাকে আর দেখা যায়নি। এক দশক ধরে ক্রিকেট খেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে খেলেছেন দুই বছর। ১৯৮৬ সালে ইংল্যান্ড সফর ছিল তার জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে শেষ সফর। ১৯৮৮ সালে নিজের ইচ্ছায় ক্রিকেট থেকে বিদায় নেন তিনি। বর্তমানে গান ও নিজের অন্যান্য কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।

Home popup