সন্দেহ

 

সুখী দাম্পত্য নিয়ে ইদানীং আপনার সংশয় বেড়ে চলেছে। আপনার ধারণা আপনার স্বামী অন্য কারো সঙ্গে কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। সেই ধারণা সত্যি কিনা বুঝবেন কীভাবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপে জীবনকে কীভাবে পজিটিভ আঙ্গিকে দেখবেন তা নিয়ে থাকল কিছু পরামর্শ।

 

আপনার স্বামী সকালে বলে গিয়েছিলেন, অফিসের পরই তিনি তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে আসবেন। কিন্তু তিনি বাড়ি ফিরলেন গভীর রাতে। আপনাকে একাই ডিনার করতে হলো, কারণ তিনি বাইরে খেয়ে এসেছেন। এমনটা তিনি মাঝে মাঝে করেই থাকেন। তিনি বাড়ি ফিরতে দেরি করছেন বলে আপনি চিন্তিত হয়ে তাকে ফোন করেন। কিন্তু তার কথা বলার ধরন থেকে বুঝতে পারেন, আপনার সঙ্গে সে সময় কোনো ব্যাপারে তিনি কথা বলতে আগ্রহী নন।

এসব কারণেই আপনার মনের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। আপনার ধারণা আপনার স্বামী নিশ্চয়ই অন্য কারো সঙ্গে কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। স্বামীর হাবভাব, কথাবার্তা সবকিছুতেই আপনার সন্দেহ বাড়ে। প্রতিনিয়ত এক অজানা অশান্তি আপনার সঙ্গী হয়। আমাদের সমাজে অনেক নারীর জীবনে এই সমস্যা রয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে অনেকের দিকে তাকিয়ে মনে হয়, কারো এমন সমস্যা নেই, সবার জীবন যথেষ্ট প্রাণবন্ত, শুধু আমার জীবনই বিশেষ সমস্যায় জর্জরিত। যে সমস্যা নিয়ে কারো সঙ্গে আলোচনা করা যায় না, পরামর্শ করা যায় না, সমাধানের পথ খুঁজতে গিয়েও দেখা যায় পাশে কেউ নেই! কিন্তু এমন সমস্যা সমাধানের জন্য শুধু নিজের ওপর একটু আত্মবিশ্বাসই যথেষ্ট। আপনার বাস্তব ভাবনাচিন্তা আর তার প্রয়োগ এ সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে। সমস্যা কাটিয়ে সুস্থ এবং সুন্দর জীবনে ফেরার চেষ্টা করুন আজ থেকেই।

ভেবে দেখুন

আপনি অকারণে আপনার স্বামীকে সন্দেহ করছেন কিনা তা একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে দেখুন। প্রতিটা মানুষেরই সুস্থ এবং সুন্দরভাবে বাঁচার জন্য যথেষ্ট স্পেস দরকার। আপনার স্বামী যখন সারাদিনের অনেক সময় নিজস্ব কাজকর্ম এবং বন্ধুবান্ধব নিয়ে কাটান, তখন হয়তো আপনি ভাবেন অন্য কারো সঙ্গে তার বিশেষ কোনো সম্পর্ক রয়েছে! আপনার মধ্যে এমন কোনো ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে কিনা প্রথমেই তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করুন।

একজন মানুষকে সুন্দরভাবে বাঁচার জন্য যেমন বাবা-মা, স্ত্রীকে প্রয়োজন; ঠিক তেমনই বেশকিছু বন্ধুও প্রয়োজন। আপনি অবশ্যই আপনার স্বামীর খুব ভালো বন্ধু। কিন্তু আপনার বাইরে তার জীবনে অন্য কোনো বন্ধু থাকতেই পারে। এমনকি সেই বন্ধুটি মহিলাও হতে পারে! আপনার স্বামীর জীবনে তিনি হয়তো যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তাদের সম্পর্কের রসায়ন হয়তো আপনাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে কোনোভাবেই প্রভাবিত করে না। সে ক্ষেত্রে আপনার স্বামী আপনাকে ঠকাচ্ছেন এমন ভাবনা প্রশ্রয় দেয়া উচিত নয়।

স্বামীর প্রতি ভালোবাসা আপনাকে পজেসিভ করে তুলতে পারে। আপনার স্বামী যখন আপনার সঙ্গে থাকেন না, তখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আপনি নিজের কাজ না করে শুধু তাকে নিয়েই ভেবে যান। এ ক্ষেত্রে স্বামীর প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা থেকে আপনি আশঙ্কায় ভুগতে পারেন, যে তিনি আপনাকে ছেড়ে চলে যাবেন! কিন্তু আপনার এমন ভাবনার কোনো যুক্তি রয়েছে কিনা, নিজেই তার উত্তরে যুক্তি খোঁজার চেষ্টা করুন।

আপনার স্বামী আপনাদের সম্পর্কের ব্যাপারে যথেষ্ট যত্নবান নন। আপনি সারাদিন কী করছেন, খেয়েছেন কিনা বা তার কাছে আপনার কোনো আবদার রয়েছে কিনা সে ব্যাপারে তিনি উদাসীন। কিন্তু তার মানেই যে তিনি অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত বা আপনাকে ঠকাচ্ছেন এমন না-ও হতে পারে।

আপনি যদি নিজে অন্য কারো সঙ্গে বিশেষ কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং বুঝতে পারেন তা আপনার বিবাহিত জীবনকে প্রভাবিত করছে। সেক্ষেত্রে নিজের কাজের জাস্টিফিকেশন খোঁজার জন্য আপনার মনে হতে পারে আপনার স্বামীরও বিভিন্ন দোষ রয়েছে। আপনি নিজে আপনার বিবাহিত জীবনের প্রতি যথেষ্ট যত্নবান কিনা তা ভেবে দেখুন।

সিক্রেটস

আপনার স্বামী নতুন কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন কিনা, তা অনুমান করার জন্য কয়েকটা ব্যাপারে খেয়াল রাখুন।

আপনার স্বামীর ওঠা-বসা এবং অবসর সময় কাটানোর যে নিজস্ব স্টাইল রয়েছে তার সঙ্গে আপনি ভালোভাবেই পরিচিত। সেই স্টাইলে কোনো পরিবর্তন এসেছে কিনা তা বোঝার চেষ্টা করুন।

আপনার স্বামী নিজস্ব সাজগোজের ব্যাপারে আগের চেয়ে সচেতন কিনা বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জামাকাপড় কিনছেন কিনা সেদিকে খেয়াল রাখুন।

অধিকাংশ সময় তিনি কোনো কিছু নিয়ে ভাবছেন, আপন মনে হাসছেন বা কথা বলছেন কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

আপনার স্বামীর প্রতিদিনের খরচ বেড়েছে কিনা তা বোঝার চেষ্টা করুন। তিনি আপনাকে বলছেন যে তিনি কাজে ব্যস্ত। অথচ তিনি পেট্রল, ক্রেডিট কার্ড, ফোন, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আগের থেকে বেশি খরচ করছেন। এমন হলে তা অবশ্যই আশঙ্কার কারণ।

বাথরুম, ব্যালকনি বা পড়ার রুমে গেলেও ফোন তার কাছে থাকছে। কখনো আপনার সামনে ফোনে কথা বলছেন না। ফোন এলেই তার মধ্যে অস্বস্তিভাব চলে আসছে। এমন হলে আগে থেকেই সতর্ক হোন।

তার কথা এবং কাজের মধ্যে অসংগতি খুঁজে পেলেও সতর্ক হওয়া উচিত।

কোনো মহিলা যদি আপনার কাছে ফোন করে দাবি করে যে আপনার স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্ক, তাহলে তার অভিযোগ যাচাই করুন।

আপনার পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং আপনার সন্তানের প্রতি আপনার স্বামীর ব্যবহারে পরিবর্তন হলেও সতর্ক হোন।

আপনার স্বামীর কোনো বান্ধবী হয়তো আপনাদের পুরো পরিবারের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ। তাদের সম্পর্ককে সন্দেহের চোখে দেখবেন না। তবে আপনার স্বামী এবং তার মধ্যে কোনো আপত্তিজনক হাবভাব দেখলে অবশ্যই এ ব্যাপারে সতর্ক হোন। ব্যাপারটা তখন আর এড়িয়ে যাওয়া উচিত হবে না।

কী করবেন

আপনার স্বামী সত্যিই আপনাকে ঠকাচ্ছেন কিনা, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।

তার প্রতি আপনার সন্দেহের কারণ যাচাই করে নিন। তার বিরুদ্ধে যা প্রমাণ পাবেন তা জড়ো করে রাখুন।

কী কী কারণে আপনি তাকে সন্দেহ করছেন এবং কোন কোন ঘটনা আপনার সন্দেহকে সমর্থন করে, তা এক জায়গায় লিখে ফেলুন।

স্বামীর সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করুন। আলোচনার সময় উত্তেজিত না হয়ে পরপর আপনার সন্দেহের কারণগুলো খুলে বলুন। তিনি তার উত্তরে যা বলবেন তা মন দিয়ে শুনুন।

আলোচনা করার সময় অহেতুক উত্তেজিত হয়ে চেঁচামেচি করবেন না।

আপনার সন্তানের সামনে কখনোই এসব বিষয় আলোচনা করবেন না।

 আপনার সন্দেহ যখন সঠিক

আপনাকে ঠিক করতে হবে এ ব্যাপারে স্বামীর সঙ্গে আপনি খোলাখুলি কথা বলতে চান কিনা।

নিজের আত্মবিশ্বাস হারাবেন না। ঠাণ্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিন আপনারা সম্পর্ক রাখতে চান না কি আপনারা দু’জনে আর কোনো সম্পর্ক রাখতে চান না।

আপনার সন্দেহ সঠিক হলে বাড়ির প্রিয়জনদের সম্পূর্ণ ঘটনার কথা খুলে বলুন এবং অবশ্যই তাদের সাহায্য চান।

সমাজের মুখোমুখি হতে ভয় পাবেন না। কেউ কিছু জানতে চাইলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সত্যি কথা বলুন।

কোনো আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করুন। পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে গেলে প্রয়োজনে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করুন।

যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সন্তানের ভবিষ্যতের কথা অবশ্যই ভাবুন।

আপনার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে, এ কথা ভেবে একাকিত্বে ভুগবেন না বা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়বেন না। আপনার বাড়ির লোক, বন্ধুবান্ধব সবাই আপনার পাশে রয়েছে। ভবিষ্যতে মনের মতো কাউকে অবশ্যই খুঁজে পাবেন, সে ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হোন।

আপনার সন্তান যাতে এ ঘটনায় কখনো ইনসিকিউরড ফিল না করে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। এ ঘটনায় ওর মনে কোনো নেগেটিভ ফিলিং তৈরি হলে আপনার সন্তানকে তা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করুন। ওর সব প্রয়োজনে পাশে থাকুন।

 আপনার সন্দেহ যখন সঠিক নয়

আপনার চাহিদার কথা আপনার স্বামীকে খুলে বলুন। দু’জনে একসঙ্গে বসে ভুল বোঝাবুঝির কারণ নিয়ে আলোচনা করুন। সেই সঙ্গে ঠিক করে নিন কেমনভাবে চললে আপনাদের মধ্যে এমন ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলা যাবে।

স্বামীকে অকারণ ভুল বোঝার জন্য অবশ্যই তাকে সরি বলুন।

আপনাদের দু’জনের সমঝোতায় সমস্যার সমাধান হয়ে গেলে পরিবারের অন্য সদস্যদের সমস্যার কথা জানাবেন না।

আপনার সন্দেহ যে সম্পূর্ণ ভুল সে ব্যাপারে নিশ্চিত হোন। তর্কের খাতিরে আপনি মেনে নিলেন যে আপনার স্বামী নির্দোষ। কিন্তু আপনার মনের মধ্যে যদি সন্দেহ থেকে যায়, তাহলে তা আপনাদের সুস্থ সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

নতুনভাবে চিন্তা করুন

আপনার নিজস্ব জগৎ যেমন আপনাদের সম্পর্কের একঘেয়েমি কাটাবে, তেমনি সুস্থ এবং সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।

আপনাদের দু’জনের সম্পর্কে যথেষ্ট স্পেস রয়েছে কিনা সে কথা ভেবে দেখুন। আপনি যদি সর্বক্ষণ আপনার স্বামীর ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে ভালোবাসেন, সে ক্ষেত্রে সম্পর্কে বিরক্তি আসতেই পারে। সেই বিরক্তি থেকে সাময়িক বিরতি পেতেই হয়তো আপনার স্বামী অন্য কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। সেজন্য আপনাদের সম্পর্ককে উপভোগ্য করে তোলার চেষ্টা করুন। সবসময় একে অন্যের সান্নিধ্যে না থেকে কোয়ালিটি টাইম কাটান। সম্পর্কের প্রাথমিক পর্যায়ের বন্ধুত্ব আবার ফিরিয়ে আনুন।

নিজস্ব জগৎ নিয়ে ব্যস্ত থাকুন। প্রথমেই নিজেকে সুন্দর রাখার চেষ্টা করুন। পছন্দের শপিং বা রূপচর্চায় কিছুটা সময় কাটান। এতে যেমন মন ভালো থাকবে, তেমনি নিজের প্রতিও আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

নতুন বন্ধু তৈরি করতে পারেন। জীবনের অনেক কথা থাকে যা শুধু বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যায়। নতুন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন জীবন উপভোগ্য হবে।

আপনার ভালো লাগে এমন কোনো কাজে কিছুটা সময় কাটান। পছন্দের সিনেমা দেখতে পারেন, গান শুনতে পারেন বা পুরনো কোনো শখের কাজ করতে পারেন। এভাবে নিজস্ব স্টাইলে জীবনের চেনা ছকে পরিবর্তন আনুন।

আপনার নিজস্ব জগতে, কাজকর্মে যথাসম্ভব সৃজনশীল হয়ে ওঠার চেষ্টা করুন। আপনার সৃজনশীল জগৎ আপনার স্বামীর কাছে আকর্ষক হতে পারে। এর মাধ্যমেও আপনারা একে অপরের সান্নিধ্য লাভ করতে পারেন।

পজিটিভ ভাবনা

আপনার স্বামী আপনাকে কোনোভাবে ঠকাচ্ছেন তা জানতে পারলে সেটা অবশ্যই আপনার কাছে দুশ্চিন্তার কারণ। কিন্তু যা হয়ে গেছে তা নিয়ে ভেবে সময় নষ্ট করার সত্যি কোনো মানে নেই। আপনার স্বামীকে আপনি একটা সুযোগ দিতে চান কিনা সেটা সম্পূর্ণ আপনার সিদ্ধান্ত। কিন্তু যে কোনো সম্পর্কের প্রাথমিক ভিত্তি বিশ্বাস। আপনাদের সম্পর্ক সেই বিশ্বাসের জায়গা ফিরে না পেলে সুস্থভাবে সম্পর্ক শেষ করার কথা ভেবে দেখতে পারেন। নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করা শুরু করুন। প্রফেশনাল লাইফের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন আলাদা রাখুন। নিজের কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়িয়ে দিন। হোমমেকাররা অবশ্যই নতুন করে নিজেদের লাইফ ডিজাইন করতে পারেন। নতুন কোনো চাকরি বা কোনো পার্ট টাইম জব আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। পুরনো সম্পর্কের অভিজ্ঞতা থেকে যাতে আপনার মনে কোনো আশঙ্কা তৈরি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। মানুষের জীবনে প্রতিটা সম্পর্ক আলাদা। আপনার জীবনে নতুন কেউ এলে সে সম্পর্কের পরিণতিও আগের সম্পর্কের মতো হবে এমন ভাবনাকে প্রশ্রয় দেবেন না। আপনি আপনার স্বামীর প্রতি চিরকালই সৎ ছিলেন, তাই নিজের সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস হারানোর কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আপনার জীবনে নতুন সম্পর্ক নিয়ে পজিটিভলি ভাবুন। নতুন সম্পর্কের ক্ষেত্রেও আপনার সততা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। আপনার জীবনের যাবতীয় ঘটনা আপনার বিপরীতের মানুষটিকে খুলে বলুন। দেখবেন নতুনভাবে জীবন শুরু করতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। আপনার ভবিষ্যৎ জীবন যাতে অতীতের দিনগুলোর চেয়ে সুন্দর হয়, সেই দায়িত্ব আপনাকেই নিতে হবে।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।