এক টুকরো সবুজে কিছুক্ষণ

 

যান্ত্রিক শহর রাজধানী ঢাকায় চোখ মেললে খুব একটা সবুজের দেখা মেলে না। অনেক সবুজের সন্ধান পাবেন যদি আপনি জাতীয় বৃক্ষমেলায় একটুখানি ঘুরে আসেন। অবারিত সবুজ কিছুক্ষণের জন্য আপনার চোখ জুড়িয়ে দেবে। ঘুরে ঘুরে হারিয়ে যেতে পারেন সবুজের কোলাহলে। দেখার পাশাপাশি কিনতে পারেন পছন্দের গাছ-গাছালি, সঙ্গে গাছের জন্য যাবতীয় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। একটু সময় করে ঘুরে আসতে পারেন রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় বৃক্ষমেলায়। এই মেলা চলবে আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত।

জাতীয় বৃক্ষমেলায় দেশের অনেক নার্সারির মালিকরা নানা ধরনের গাছ দিয়ে স্টল সাজিয়েছেন। দেশি-বিদেশি প্রায় হাজার প্রজাতির গাছ স্থান পেয়েছে এখানে। পছন্দমতো নিজের সাধ্য অনুযায়ী গাছ কিনে আনতে পারেন। প্রতিদিন দর্শনার্থী ভিড় করছেন এই বৃক্ষমেলায়।

জাতীয় বৃক্ষ রোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৯-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃক্ষমেলায় সরকারি-বেসরকারি প্রায় ১৭২টি প্রতিষ্ঠান স্টল নিয়ে বসেছে। এখানে বিভিন্নরকম গাছের চারা, ফল, ফুল, চারা-কলম, বীজ, সার, কীটনাশক ওষুধ, যন্ত্রপাতি, গাছবিষয়ক বই, তাজা ফুল, অর্কিড, ক্যাকটাস, বনসাই, ঘরের অর্নামেন্টাল ট্রি, মসলার বনজ, ফলদ, ঔষধি গাছ পাওয়া যাচ্ছে।

ফুল, ফল, সবজি, বনজ, ঔষধিসহ অনেক গাছ বিক্রি করা হচ্ছে। ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাড়িতে যারা ছাদবাগান করেন, তাদের জন্য এখানে অনেক আয়োজন রয়েছে। এখানে ২০ টাকা থেকে হাজার হাজার টাকার গাছ বিক্রি হচ্ছে। মেলায় বিক্রির পাশাপাশি অর্ডার নেয়া হচ্ছে। বরিশাল নার্সারি নামের স্টলে চায়না বট, বনসাই আম, কাঁঠাল, বনজ, ঔষধি ছাড়াও ঝুলন্ত অর্কিড, কিউজাই আম, সিডলেস গাব, পিচফল, ডুরিয়ান, লাল লংগান, লোকাটসহ প্রায় ৪০০ প্রজাতির গাছ রয়েছে।

বৃক্ষমেলায় মেলার তথ্যকেন্দ্র রয়েছে। সেখান থেকে মেলার যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। সেখানে দায়িত্বরত একজন বলেন, কয়েক বছর আগেও মানুষ এত সচেতন ছিল না। নার্সারি মালিকদের ট্রেনিং দিয়ে সচেতন করা হয়েছে বলেই আজ বৃক্ষরোপণ অভিযান এত বড় পরিসরে হচ্ছে। বৃক্ষরোপণ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্যই এ মেলার আয়োজন।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।