অধিকারের যুদ্ধে জয়ী হতে হবে নারীকে : ফারজানা মুন্নি

ফারজানা মুন্নি বিউটি পার্লার ‘কিউবেলা’-র সিইও এবং বেসরকারি মিউজিক চ্যানেল ‘গান বাংলা’-র চেয়ারম্যান। বিভিন্ন টিভি এবং স্টেজ শো’র প্রাণবন্ত উপস্থাপনায়ও নিজের প্রতিভার প্রকাশ করেছেন তিনি। জীবনের এই সাফল্য পেতে তাকে পেরোতে হয়েছে নানা ঘাত-প্রতিঘাত। কিন্তু তা তাকে থামাতে পারেনি। ব্যক্তি জীবনে তিন কন্যার জননী ফারজানা মুন্নি। তিনি কন্যাদের গড়ে তুলেছেন নিজ আদর্শে। কন্যারা নিজের অধিকারের জন্য আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যেতে কখনও ভয় না পায় সে শিক্ষা দিয়েছেন প্রতি পদে পদে। তার মতে, একজন নারী প্রথমে একজন মানুষ, তারপর একজন মেয়ে। যদিও আমাদের সমাজ ব্যবস্থা মেয়েদের সবসময় পিছু টানে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নারী-পুরুষের ভেদাভেদ আগে থেকে কিছুটা কমে আসছে। নারী-পুরুষ একসঙ্গে কাজ করছে। তবে সবক্ষেত্রে নয়, এখনো কিছু কিছু ক্ষেত্রে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন প্রয়োজন এবং তা পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে। যখন একই ঘরের ছেলে-সন্তান এবং মেয়ে-সন্তান উভয় সমান সুযোগ-সুবিধা দিয়ে বড় করা হবে, তারা বুঝতে শিখবে ছেলে-মেয়ে আলাদা নয়, সবাই এক।

কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে প্রতিদিনই একজন নারীকে কোনো না কোনো ক্ষেত্রে বাধা পেতে হয়। একজন নারী একটু সেজে বাইরে বের হলে সবাই আড় চোখে তাকায়, যেন সে অন্য কারও আকর্ষণের পাত্রী। নারী নিজের আনন্দের জন্য সাজতে পারে না! এক্ষেত্রেও নারীকে বাধা পেতে হয়। যুগ পাল্টাচ্ছে, প্রয়োজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানোর। শুধু পুরুষ নয়, প্রয়োজন একজন নারীরও নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন।

নারীরা এখন অনেক এগিয়ে। ঘরে ঘরে সোচ্চার হচ্ছে নারীর অধিকার। এখন পরিবারে মেয়ে শিশু এবং ছেলে শিশুর ভেদাভেদ ভুলে সবাই সুস্থ সন্তান কামনা করে। নারীরা এগিয়ে যেতে পারদর্শী। একাই জীবনসঙ্গীকে সব কাজে বন্ধু হিসেবে পাশে পেলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে, বাড়বে সার্থকতা। সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রতিভাকে বিকশিত করে তুলতে হবে প্রতিটি নারীকে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিজের অধিকার আদায়ে সচেতন হতে হবে।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।