আঁখের রসে রূপচর্চা

ত্বকের নানা সমস্যা কমাতে আখের রস দারুণ কাজে আসে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক আখের  রসের কিছু গুণাগুণ সম্পর্কে। আখে প্রচুর পরিমাণে আলফাহাইড্রক্সি অ্যাসিড থাকে, যা ত্বকের টেক্সচার ভালো করার পাশাপাশি মুখ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এখানেই শেষ নয়, রোজ যদি আখের রস পান করা বা মুখে লাগানো যায় তাহলে ত্বক খুব নরম হয়। যে কোনও ধরনের ত্বকেই আখের রস লাগানো যায়। তাই ত্বকের খেয়াল রাখতে আজই বাড়িতে বসেই বানিয়ে ফেলুন আখের রসের ফেইস প্যাক। এটি নানা রকমের উপকরণ দিয়ে বানানো সম্ভব। কীভাবে বানাতে হয় এই ফেইস প্যাক? চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কে। 

আখ ও মুলতানি মাটি
তৈলাক্ত ত্বক যাদের, তারা এটি ব্যবহার করতে পারেন। কারণ মুলতানি মাটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়, আর আখ ত্বকের মধ্যে জলের মাত্রা ঠিক রাখে। এইভাবে এই দুই উপাদান ত্বককে ধীরে ধীরে সুন্দর করে তোলে।

আখ ও মধু
ড্রাই স্কিনের সমস্যা যাদের, তারা এই দুই উপাদান মিলিয়ে একটি ফেইস প্যাক বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি সপ্তাহে একদিন করে মুখে লাগান। তাহলে পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

আখ ও পেঁপে
রোদে পুড়ে গেছে আপনার ত্বক। চিন্তা নেই আগের মতো উজ্জ্বলতা পেতে আখের রসের সঙ্গে পরিমাণমতে পেঁপে মিলিয়ে সেটি সারা মুখে লাগান। প্রসঙ্গত, এই ফেইস প্যাক-টি মুখের অবাঞ্চিত লোমের সমস্যাও কমায়।

আখ ও কফি
এই দুই উপাদানের সঙ্গে পরিমাণমতে কমলা লেবুর রস মিশিয়ে বানিয়ে ফেলুন ফেইস স্ক্রাব। তারপর সেটি ধীর ধীরে মুখে লাগান। কমলালেবুর মধ্যে থাকা ভিটামিন-সি ত্বককে সুন্দর করতে দারুণ কাজে দেয়।

এইচএ ফেসিয়াল
আখের রসের সঙ্গে লেবুর রস, নারকেলের দুধ, আপেলের রস এবং আঙুরের রস মিলিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি মুখে লাগান। এই ফেইস প্যাক-টি ত্বককে প্রাণবন্ত করার পাশাপাশি ত্বকের ক্ষত দূর করে।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।