ঠান্ডা মোকাবেলায় মশলা

শীতের এই সময়টাই যেন বেছে নেয় জীবাণুরা আমাদের বিরক্ত করার জন্য। সর্দি, কাশি, ঠান্ডাজ্বর, গলাব্যথা, পেটে গোলমাল ইত্যাদি কিছু একটা যেন সাথে থাকবেই, পিছু ছাড়তে চায় না। তাদের ঠেকানোর জন্যও আমাদের সে কি চেষ্টা! গরম জামাকাপড় পরা, গোসল কয়েকদিন পর পর করা, ফ্যান না ছেড়ে রাখা, পারতপক্ষে বাইরে বের না হওয়া ইত্যাদি নানা কিছু করে আমরা ঠান্ডা এড়াতে চাই। তবে আমাদের হাতের কাছেই যে ছোট ছোট কয়েকটি টোটকা রয়েছে, ঠান্ডাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখাতে পারে যারা, সে ব্যাপারে আমাদের অনেকেরই ধারণা নেই হয়ত।

রান্নাঘরে যান একটু। মশলার তাকটা আছে না? সেখান থেকে ছোট ছোট মশলার কৌটাগুলো নিন। হ্যাঁ, ওগুলোই ঠান্ডার বিরুদ্ধে আপনার অস্ত্র। এসব মশলার আসল গুণ নিশ্চয়ই জানেন, খাবার সুস্বাদু করা, তবে এছাড়াও এর লড়াকু একটা গুণও রয়েছে, এরা আপনার শরীরের ঠান্ডা, কাশি, জ্বর, সর্দি দূর করতে ওস্তাদ।

প্রথমেই আসি পোলাওয়ের যম এলাচে। এই মশলাটার সাথে অনেকেরই হয়ত শত্রুতা, পোলাও খেতে গেলে একবার দাঁতের নিচে এলাচ পড়লে অনেকের পুরো খাবারই মাটি! তবে একটাবারের জন্য শত্রুতা ভুলে নিজের ঠান্ডা দূরে তাকে ব্যবহার করুন। পেট ও ফুসফুসের সমস্যা খুব দ্রুত দূর করবে এলাচ। শীতের প্রতিদিন সকালে এলাচ চা খেলে সারাটা শীত ঠান্ডা আপনাকে ছুঁতে পারবে না।

লবঙ্গ ও দারুচিনির সুন্দর গন্ধ পছন্দ করে না এমন মানুষ কমই আছে। এই সুগন্ধি মশলাগুলো সর্দি, কাশিতেও অনেক আরাম দিতে পারে। লবঙ্গ খেলে কফ ও দূর হবে খুব জলদি। আর দারুচিনি ঠান্ডায় বাতের ব্যথা কমাতে পারে।

জাফরানে আছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ যা আপনাকে চাঙ্গা করে দিতে পারে নিমিষেই। এছাড়া গোল মরিচের ঝাজেঁ সর্দি, কাশি পালানোর পথ পাবে না, গরম দুধে একটু গোল মরিচ দিয়ে খেয়ে দেখতে পারেন, যদি ঠান্ডা লেগে থাকে।  

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।