অফিসে ডায়েটিং

সুস্বাস্থ্যের জন্য ডায়েটিং-এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। তবে স্বাস্থ্যকর ডায়েটিং প্র্যাকটিস যথেষ্ট সাধনার ব্যাপার, মোটেই সহজ নয়। আর তার উপর আমাদের ব্যস্ত কর্পোরেট জীবনে নিজেদের আট থেকে দশ ঘন্টা কাজের চাপের পাশাপাশি ডায়েট চার্ট মেনে চলাটা অনেকের কাছে আলাদা একটা মানসিক চাপের মতই দেখা দেয়। কিন্তু এভাবে প্রতিদিন অফিসের ও কাজের অজুহাতে ডায়েট ঠিকমতো না হলে শরীরও ভেঙ্গে পড়বে দ্রুত। পরে শয্যাশায়ী হয়ে কাজও করতে পারবেন না ঠিকভাবে। তাই এখন থেকেই মন দিন ভালো ডায়েট মেনে চলার দিকে।

অফিসের কাজের চাপের ভিতরেও ডায়েট ঠিক রাখার বেশ কিছু উপায় রয়েছে। কিছু ব্যাপারে সচেতন থাকলেই অফিসেও ডায়েটিং করাটা মোটেই কঠিন মনে হবে না আর।

১। বাড়িতে বানানো পুষ্টিকর খাবার নিয়ে যান অফিসে। বাহিরের খাবার বা ক্যান্টিন ফুডে বাজে ক্যালোরি থাকে প্রচুর, তার চেয়ে ঘরে বানানো খাবার অনেক বেশি পুষ্টিকর। এছাড়া আপনার পকেট ভারী রাখতেও সাহায্য করবে এই অভ্যাস।

২। প্রচুর পরিমাণ পানি পান করা উচিত আমাদের প্রতিদিন, কাজের চাপ থাকলে আরও বেশি। তাই ডেস্কে একটি পানির বোতল রাখার অভ্যাস করুন। পানির অভাব হলে ডিহাইড্রেশন থেকে শুরু করে কিডনির গুরুতর সমস্যা হতে পারে।

৩। অনেকের কাজের মাঝখানে স্ন্যাকিংয়ের অভ্যাস থাকে। সেক্ষেত্রেও ফাস্টফুড, চিপস বা কোল্ড ড্রিঙ্কস না খেয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া যায়। বাদাম, ছোলা বা আপেল, পেয়ারা, আঙ্গুরের মতো ফলমূল দিয়ে স্ন্যাকিংয়ের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৪। প্রতিদিনের টিফিনের সাথে এক বোতল দুধও নিয়ে যেতে পারেন অফিসে। হাস্যকর দেখানোর ভয় পাবেন না। দিন শেষে সুস্থ থাকবেন আপনিই।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।