পোস্ট প্রেগনেন্সি স্ট্রেচ মার্ক কীভাবে দূর করবেন?

গর্ভাবস্থায় বড় হতে থাকা ভ্রুনের জন্য জায়গা করে দিতে জরায়ুর আকৃতি বড় হতে থাকে। এতে পেটের চারপাশের ত্বকও প্রসারিত হয়ে ফাটল সৃষ্টি হতে পারে। একে স্ট্রেচ মার্ক বলে। ত্বকের কোলাজেন স্বাভাবিকভাবে এই দাগের আগমন প্রতিরোধ করতে পারে না বলে প্রেগনেন্সির পরে স্ট্রেচ মার্ক দেখা যাওয়া প্রায় অনিবার্য। তবে কিছু উপায়ে স্ট্রেচ মার্ক দূর করা বা প্রতিরোধ করা যায়।

১। পানি খাওয়া গর্ভাবস্থায় খুবই গুরুত্বপুর্ণ। তবে পানি শরীরকে গর্ভাবস্থায় স্ট্রেচের সাথে মানিয়ে নিতেও সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন ৬-৮ গ্লাস পানি কমপক্ষে খাওয়া উচিত, গর্ভাবস্থায়। এছাড়া পানি সমৃদ্ধ খাবার যেমন তরমুজ, শশা ইত্যাদিও একই রকম উপকার দেবে এক্ষেত্রে।

২। নিয়মিত প্রসারিত স্থান ম্যাসাজ ও ময়েশ্চেরাইজ করার মাধ্যমেও স্ট্রেচ মার্ক প্রতিরোধ করা যায়, বা দূর করা যায়। সাধারণ ময়েশ্চেরাইজারের চেয়ে তিলের তেল, নারিকেল তেল বা ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করলে বেশি ফল পাওয়া যায় এক্ষেত্রে।

৩। ত্বকের জন্য ভিটামিন এ, ই ও সি পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করা অনেক দরকারী। ত্বকের টিস্যু মেরামত, কোলাজেন উৎপাদন ও ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে হলে গর্ভাবস্থায় ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে।

৪। নিয়মিত পেটের ত্বক এক্সফলিয়েটের মাধ্যমেও স্ট্রেচ মার্ক দূর করা যায়।

৫। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস থাকলে স্ট্রেচ মার্ক সহজে দেখা যায় না প্রেগনেন্সির সময়ও। আর গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম করা সম্পুর্ন নিরাপদ। তাই ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন।   

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।