এসি/ডিসি: হাইওয়ে টু হেল

সত্তর দশকের অস্ট্রেলিয়ান রক ব্যান্ড এসি/ডিসি’র কথা রক জনরা পছন্দ করা সংগীত প্রেমীদের সবারই কম বেশি জানার কথা। তাদের “হাইওয়ে টু হেল”, “থান্ডারস্ট্রাক”, “ব্ল্যাক ইন ব্ল্যাক”, “টি.এন.টি” গানগুলো রক জনরার ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাবে না কখনো।

সিডনিতে ১৯৭৩ সালে দুই ভাই ম্যালকম ও এংগাস ইয়াং ব্যান্ডটি গঠন করে। ব্যান্ডের সদস্যরা সব সময় নিজেদেরকে রক এন্ড রোল ব্যান্ড হিসেবে পরিচয় দিয়ে গেছেন।

১৯৭৪ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে মোট ১৭টি স্টুডিও অ্যালবাম রিলিজ করে রক এন্ড রোল ব্যান্ডটি। এর মধ্যে আবার দুটো শুধু অস্ট্রেলিয়াতে রিলিজ করা হয়েছিল। “ব্ল্যাক ইন ব্ল্যাক”, “হাইওয়ে টু হেল”, “লেট দেয়ার বি রক”, “পাওয়ারএজ”, এবং “হাই ভোল্টেজ” উল্লেখযোগ্য অ্যালবাম এসি/ডিসির।

১৯৭৫ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক অ্যালবাম “হাই ভোল্টেজ” এর ভোকাল ছিলেন বন স্কট। ৬ষ্ঠ স্টুডিও অ্যালবাম “হাইওয়ে টু হেল” এর রিলিজের এক বছর পার না হতেই বন স্কট অতিরিক্ত মদ্যপানে মারা যান। বনের পরে ভোকাল হয়ে আসেন ব্রায়ান জনসন। ব্রায়ানের ভোকালে ও বন স্কটের স্মরণে এসি/ডিসি তাদের বেস্ট সেলিং অ্যালবাম রিলিজ করে।

এসি/ডিসির প্রধান বৈশিষ্ট্য হল ভোকাল “স্ক্রিচ”। সময়ের সাথে সাথে তাদের “ইভোল্ভ” করার ক্ষমতার কারণে ব্যান্ডটি চার দশক ধরে এখনো তাদের সেই পুরনো জায়গা ধরে রেখেছে। ব্যান্ডটি সময়ের প্রয়োজনে গানে ভিন্নতা আনলেও, তাদের বিশেষত্বকে হারিয়ে যেতে দেয়নি কখনো।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।