দেবী জীবনের অনেককিছু পরিবর্তন করে দিয়েছে: শবনম ফারিয়া

অভিনীত প্রথম নাটক দিয়েই দর্শকদের মন জয় করেছিলেন শবনম ফারিয়া। তারপর আর তাকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক নাটকে অভিনয়ের দ্যুতি ছড়িয়ে গেছেন। হাতেগোনা কয়েকজন প্রতিভাবান অভিনেত্রীর তালিকায় রয়েছে শবনম ফারিয়ার নাম। অনম বিশ্বাস পরিচালিত ‘দেবী’ সিনেমায় তার অভিনীত নিলু চরিত্রটি মুগ্ধ করেছেন সিনেমাপ্রেমী মানুষদের। আনন্দধারা পত্রিকার আলোচিত অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। 

 

আনন্দধারা : ২০১৮ সালে অভিনয়ের জন্য আনন্দধারা পত্রিকার নির্বাচিত অভিনেত্রী হয়েছেন। কেমন লাগছে?

শবনম ফারিয়া : যে কোনো স্বীকৃতি ভালো লাগে। কাজের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকে। ভালো ভালো কাজের সাহস পাই। আর আমার জন্য এটা প্রথম কোনো স্বীকৃতি। এটা সত্যি অনেক ভালোলাগার একটা ঘটনা।

আনন্দধারা : ২০১৮ সালে টেলিভিশন নাটকে আপনার উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর কথা জানতে চাই?

শবনম ফারিয়া : এই বছরে জীবনের দিন-রাত্রী, ভালোবাসা তারপর, নীল রঙধনু, উগান্ডা মাসুদ, অনুভবে, ছোটছেলে, প্রস্থান, রূপকথার ভেতর বাহির নামের নাটকগুলো দর্শকরা অনেক পছন্দ করেছে। আর সবচেয়ে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি ‘দেবী’ সিনেমার জন্য।

আনন্দধারা : দেবী ছবি দিয়ে কী অর্জন করলেন?

শবনম ফারিয়া : দেবী ছবিটা আমার জীবনের অনেক কিছু পরিবর্তন করে দিয়েছে। অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। অনেক কাজের অফার পাচ্ছি কিন্তু খুব বেছে বেছে কাজ করতে হচ্ছে ছবিটা মুক্তির পর। এখন একটা দায়িত্ব, দায়বদ্ধতা চলে এসেছে। তবে আমি অনেক খুশি।

আনন্দধারা : বছরটা কেমন ছিল?

শবনম ফারিয়া : এই বছরটা আমার জীবনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। বাবা মারা যাওয়ার পরই নতুন বছরটা শুর হয়েছিল। অনেক মন খারাপ ছিল তখন। তারপর ধীরে ধীরে বুঝলাম জীবনটাই এমন। তবে ভালো একটা খবর আছে সামনে। আমার জন্য অনেক পরিবর্তনের একটা বছর ছিল। দেবীর মতো ছবিতে অভিনয় করেছি। পাঁচ-ছয় মাস কোনো নাটকে অভিনয় করিনি। তবে এটা নিয়ে আমার মধ্যে কোনো হতাশা ছিল না।

আনন্দধারা : ‘দেবী’ নিয়ে কী প্রথম থেকে আশাবাদী ছিলেন?

শবনম ফারিয়া : দেবী ছবিটা মানুষ দেখবে এটা বিশ্বাস ছিল। ক্রিটিক্যালি অনেক প্রশংসিত হবে এটা জানতাম। তবে মানুষ এতটা গ্রহণ করবে সুপারহিট হবে এটা বুঝতে পারিনি।

আনন্দধারা : অভিনয়ে টার্নিং পয়েন্ট ছিল কোন কাজগুলো।

শবনম ফারিয়া : আদনান আল রাজীবের পরিচালনায় নাটক ‘আলটাইম দৌড়ের ওপর’ এটা ২০১৩ সালের ভালোবাসা দিবসে প্রচার হয়েছিল। এই নাটকটা অনেক আলোচিত হয়েছিল সেই বছর। এরপর রেদোয়ান রনীর ‘সুবর্ণপুর বেশি দূরে নয়। তানিম রহমান অংশুর পরিচালনায় ‘দুই অংশের শেষ একটা’ একই সঙ্গে আলোচিত হয়েছিল। সবগুলোই আমার জন্য টার্নিং পয়েন্ট।

আনন্দধারা : নতুন বছরে আর কী পরিকল্পনা রয়েছে?

শবনম ফারিয়া : নতুন বছরে কাজে আরো মনোযোগ দিতে চাই। ব্যক্তিগত জীবনে বড় কিছু পরিবর্তন আসবে। সেটার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার অভ্যাস করতে হবে। ভালো ভালো কাজ করতে চাই।

Anonymous এর ছবি
CAPTCHA
এই প্রশ্নটি আপনি একজন মানব ভিজিটর কিনা তা যাচাই করার জন্য এবং স্বয়ংক্রিয় স্প্যাম জমাগুলি প্রতিরোধ করার জন্য।